বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ থেকে দুই বিলিয়ন ডলার পাওয়ার সম্ভাবনা

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী|ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে নিয়মিত বাজেট সহায়তার বাইরেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক অতিরিক্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠকের (স্প্রিং মিটিং) ফাঁকে সংস্থা দুটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বর্তমানে ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) আইএমএফের নির্বাহী পরিচালক উর্জিত প্যাটেল ও বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জন জুটসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী পৃথক বৈঠক করেন।

প্রতিনিধিদলের একটি সূত্রে জানা যায়, আগামী জুনের মধ্যেই বাংলাদেশ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা পেতে পারে।

আরও পড়ুন: কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড: প্রধানমন্ত্রী

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পুরো অর্থনীতিটাই একটা ঘাটতি মধ্যে আছে। তার ওপরে যোগ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ। আবার যুক্ত হয়েছে ভ্যাট। এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাংক আমাদের সঙ্গে একযোগে সমস্যা সমাধানে কাজ করবে।’

সার্বিক আলোচনা সফল হয়েছে এমন দাবি করে আমীর খসরু জানান, অর্থনীতির ঘাটতি পূরণে সফল হবে সরকার। বাংলাদেশের অর্থনীতির যে অবস্থা তা সবার কাছে পরিষ্কার। বিশ্বব্যাংক খুবই পজিটিভ আমাদের বিষয়ে এক সঙ্গে কাজ করার জন্য।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইএমএফের চলমান ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাড়তি সহায়তার ইঙ্গিত দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়টি তো আছেই, তবে চলমান কর্মসূচির আওতায় এর চেয়েও ভালো কিছু আসতে পারে।’

আরও পড়ুন: আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকে আবেদন

আগামী জুন মাসের মধ্যে এবং আগামী বাজেটে বাংলাদেশ অতিরিক্ত অর্থায়ন পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে আলোচনা খুবই সফল হয়েছে। আমরা যে ঘাটতির মুখে পড়েছি, তা মোকাবিলায় আমরা অনেকটাই সফল হব বলে আমার বিশ্বাস।’

প্রসঙ্গত, উন্নয়নশীল ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য আইএমএফ ইতিমধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাংক ২৫ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা তহবিলের ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ আইএমএফের ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!