সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে পারেননি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। তার অভিযোগ, স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগ আটকে গেছে।
এ ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি জানিয়েছেন, মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।
আরও পড়ুন: প্রজেক্ট অফিসার নিয়োগ দেবে কাতার চ্যারিটি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আমি একটু আগে আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হবে এবং সে শিগগিরই নিয়োগ পাবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘চাকরিপ্রত্যাশী ছোট ভাইটি আমার এলাকার হওয়ায় ঝিনাইদহ থেকে অনেকে আমাকে বিষয়টি জানিয়েছিল। তাদেরও অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এদিকে রাশেদ খাঁনের সঙ্গে কথা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিশন আচার্য। তিনি জানান, রাশেদ খাঁন তাকে আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি ঢাকায় গিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও তার সঙ্গে কথা হয়েছে।
মিশন আচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায়।
মিশনের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন। উপজেলা পর্যায়ে তিনি ১৭তম স্থান অর্জন করেন। মোট ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হলেও ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।
বাকি দুজনের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অন্যজন তিনি নিজে।
আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুইডেনের ১০ স্কলারশিপ
মিশন জানান, তার স্থায়ী ঠিকানায় কোনো বসতভিটা নেই। তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাবার ঠিকানা থেকেও তিনি বঞ্চিত হন। এরপর থেকে মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন তিনি।
তার দাবি, কলাবাগান এলাকাতেই তার জন্ম এবং জন্মের পর থেকে সেখানেই তিনি বসবাস করে আসছেন। তবে স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় নিয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

