অক্টোবরে শুরু হচ্ছে ১৯তম বিজেএসের কার্যক্রম

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল|ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৯তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ১৯তম বিজেএস পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে। এবারও আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক বিচারক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান অ্যাটর্নি জেনারেল।

পোস্টে তিনি জানান, ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার ফলাফল গত বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০ জনকে সিভিল জজ হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুইডেনের ১০ স্কলারশিপ

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগের জন্য অবশিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নবনিযুক্ত বিচারকরা শিগগিরই বিচারকার্যে যোগ দেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, দেশে বিচারকের স্বল্পতা একটি সুপরিচিত বাস্তবতা। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন চাহিদাকৃত ১০০ জনের পরিবর্তে ২০০ জন সিভিল জজ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে।

আরও পড়ুন: একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু আজ, লাগবে যেসব কাগজপত্র

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের একজন সদস্য। বিচার বিভাগের সক্ষমতা বাড়ানো, বিচারকের সংকট কমানো এবং জনগণকে দ্রুত ও দক্ষ বিচারসেবা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় কাজ করার সুযোগকে তিনি একই সঙ্গে দায়িত্ব ও গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের ধারাবাহিক, দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশে বিচারকের স্বল্পতা ধীরে ধীরে কমে আসবে। এর ফলে একটি দক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ ও জনবান্ধব বিচারব্যবস্থা গড়ে উঠবে, যা মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!