চাকরিতে যোগদানের পর প্রচলিত বিধি অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলে, পরবর্তী সময়ে প্রবিধানমালা সংশোধন করে তার সেই অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান তালুকদার ও অন্যান্য বনাম রাষ্ট্র মামলায় এ রায় দেন বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ. এফ. এম. সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আরও পড়ুন: ৪ থেকে ৮ বছর বয়সী মেয়েদের টিকাদানে ডব্লিউএইচওর বার্তা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে কর্মরত সাতজনের কর্মচারীর পদোন্নতি-সংক্রান্ত বিরোধ সংক্রান্ত রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ. এফ. এম সাইফুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৯ আগস্ট এই রায় দিয়েছেন। ১৭ পৃষ্ঠার ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আদালতের মূল রায়টি লিখেছেন বিচারপতি এ. এফ. এম সাইফুল করিম।
২০১১ সালের প্রবিধানমালা অনুযায়ী, উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদ থেকে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে শতভাগ পদোন্নতির সুযোগ ছিল। তবে ২০২১ সালের ৯ মার্চ প্রকাশিত নতুন প্রবিধানমালায় এ পদে ৩৩ শতাংশ পদোন্নতি এবং ৬৭ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের বিধান করা হয়। এতে পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হওয়ায় সাত প্রকৌশলী হাইকোর্টে রিট করেন।
আরও পড়ুন: বিইউপিতে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তি, আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত
রায়ে আদালত বলেন, কর্তৃপক্ষ সময়ের চাহিদা অনুযায়ী চাকরির প্রবিধানমালা সংশোধন করতে পারলেও তা ভূতাপেক্ষভাবে প্রয়োগ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্জিত আইনি অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। ফলে নতুন প্রবিধান কার্যকর হওয়ার আগে যারা পদোন্নতির সব শর্ত পূরণ করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে ২০১১ সালের প্রবিধানমালা অনুযায়ী পদোন্নতির বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

