

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের কারণে বিশ্বজুড়ে যখন চাকরি হারানোর আতঙ্ক বাড়ছে, ঠিক তখনই আশার বাণী

কয়েক বছর ধরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। চ্যাটজিপিটি, ক্লড কিংবা জেমিনির মতো প্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির এই জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেওয়া যত সহজ, এর আড়ালের বিপদটা থেকে সচেতন থাকাটা ততটাই কঠিন। অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা অজান্তেই আমাদের মগজ অকেজো করে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে সাম্প্রতিক একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রশ্ন তুলেছে।

প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। চ্যাট জিপিটি কিংবা গুগল জেমিনির মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এখন কেবল তথ্য খোঁজার মাধ্যম নয়, বরং দৈনন্দিন কাজের বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে উঠেছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের সাফল্যের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে