আশির দশকের আবহে ছবি তৈরি করবেন যেভাবে
ক্যামেরার রিলে ধারণ করা আশির দশকের ছবিগুলো এখন অনেকের কাছে স্মৃতি। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে সেই আশির দশকের আবহ এখন আবার নতুন করে ফিরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাবে চাকরির বাজারে নতুন স্নাতকদের চাহিদা কমছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী পডকাস্ট তৈরির প্রযুক্তি

অ্যামাজনে আবারও কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এবার মূলত প্রতিষ্ঠানটির

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া ভয় ও নেতিবাচক ধারণা কমাতে নতুন উদ্যোগ
ক্যামেরার রিলে ধারণ করা আশির দশকের ছবিগুলো এখন অনেকের কাছে স্মৃতি। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে সেই আশির দশকের আবহ এখন আবার নতুন করে ফিরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
গুগলের ভিও ও ক্লিং এআইয়ের মতো ভিডিও তৈরির প্রযুক্তি একটি মাত্র লিখিত নির্দেশনা থেকেই কয়েক মিনিটের বাস্তবসম্মত ভিডিও তৈরি করতে পারে
একটি দীর্ঘ বৈঠক বা আলোচনায় একাধিক ব্যক্তি একসঙ্গে কথা বললে এবং কথোপকথনের মধ্যে বিভিন্ন ভাষা ব্যবহার করা হলে পরে অডিও রেকর্ডিং থেকে কে কী বলেছেন, তা আলাদা করে শনাক্ত করা বেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে সাইবার হামলার আশঙ্কা। ভবিষ্যতে এআই ব্যবহার করে আরও দ্রুত
চ্যাটজিপিটির সঙ্গে ব্যবহারকারীদের কথোপকথনে ‘আনইনস্টল করে দেব’—এমন মজার হুমকি এখন যেন পরিচিত এক সংলাপ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে অ্যাপল। এর অংশ হিসেবে সিরি ও ভিশন প্রো
এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির ব্যবহারকারীদের জন্য বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ওপেনএআই
জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি উন্নয়নশীল দেশের
গুগলের নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুল জেমিনি -এর সহায়তায় মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে ক্রোম ব্রাউজারের ১ হাজার ৭২টি নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি নিম্নমানের ও বিভ্রান্তিকর ভিডিওর বিস্তার ঠেকাতে নতুন নীতিমালা চালু করেছে ইউটিউব
এআই ব্যবহার করে তৈরি নিম্নমানের ও একই ধরনের ভিডিও থেকে আয় করার সুযোগ সীমিত করতে যাচ্ছে ইউটিউব
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তাদের নীতিমালা কঠিন করছে এবং অভিভাবকদের হাতে তুলে দিচ্ছে নিয়ন্ত্রণের ভার।
অমীমাংসিত থাকা বিখ্যাত ‘সাইকেল ডাবল কভার কনজেকচার’-এর (Cycle Double Cover Conjecture) একটি পূর্ণাঙ্গ প্রমাণ উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে
চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনাই, ক্লড কিংবা এক্সএআইয়ের মতো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) টুলগুলো ভিন্ন ভিন্ন মডেলে কাজ করলেও সঠিক প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যেকটি থেকেই নিজের চাহিদামাফিক ফল পাওয়া সম্ভব।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের কারণে বিশ্বজুড়ে যখন চাকরি হারানোর আতঙ্ক বাড়ছে, ঠিক তখনই আশার বাণী
কয়েক বছর ধরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। চ্যাটজিপিটি, ক্লড কিংবা জেমিনির মতো প্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির এই জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেওয়া যত সহজ, এর আড়ালের বিপদটা থেকে সচেতন থাকাটা ততটাই কঠিন। অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা অজান্তেই আমাদের মগজ অকেজো করে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে সাম্প্রতিক একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রশ্ন তুলেছে।
প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। চ্যাট জিপিটি কিংবা গুগল জেমিনির মতো প্ল্যাটফর্মগুলো এখন কেবল তথ্য খোঁজার মাধ্যম নয়, বরং দৈনন্দিন কাজের বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে উঠেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের সাফল্যের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে
বিশ্বজুড়ে হোয়াটসঅ্যাপে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) গ্রাহকসেবা সহকারী চালু করেছে মেটা।
যে কেউ তথ্য জানার প্রয়োজনে কিছু সার্চ করলে তার সামনে সাইটের লিঙ্ক ছাড়াও সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র হাজির করে সার্চজিপিটি। তার পরিপ্রেক্ষিতে সার্চকারী নিজের প্রশ্ন রাখতে পারবেন এবং সার্চজিপিটি সে অনুযায়ী যথাযথ তথ্য অনুসন্ধানকারীর সামনে উপস্থাপন করবে।
চীনা এআই স্টার্টআপ ডিপসিকের নতুন মডেল ‘ভি৪’ বাজারে আসলেও আগের মতো তেমন আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারেনি। গত বছর ‘ভি৩’ ও ‘আর১’ মডেল দিয়ে কম খরচে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল প্রতিষ্ঠানটি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)য়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের এই সময়ে সাংবাদিকতায় নৈতিকতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমসয়কে ঘিরে।
আগাম বার্তা না দিয়েই বদলে গেল ইন্টারনেট ব্রাউজার ক্রোমের সক্ষমতা। এবার গুগলের ক্রোম ব্রাউজার
সব খবর দেখানো হয়েছে