মুজিববর্ষ উদযাপনের ব্যয় ছিল ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজিটাল কাউন্টডাউন বোর্ড স্থাপনের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল
রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজিটাল কাউন্টডাউন বোর্ড স্থাপনের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল|ছবি: সংগৃহীত

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে মোট ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছিল।

রবিবার (১১ জুলাই) জাতীয় সংসদে রংপুর-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমানের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এই ব্যয়ের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে প্রতিকৃতি ও স্মৃতিফলক স্থাপন, ব্রোঞ্জ, তামা ও মার্বেলের ভাস্কর্য নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজিটাল কাউন্টডাউন বোর্ড স্থাপনের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আরও পড়ুন: ভাষা আন্দোলনের সৈনিক ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ইন্তেকাল

একই সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উদযাপনের ব্যয় নিয়ে নিরীক্ষা, তদন্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে এখনো সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

তবে অর্থমন্ত্রী জানান, বিষয়টি কেবল মুজিববর্ষের ব্যয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আগের সরকারের আমলে আরও বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে এবং সরকার সেসব বিষয়ও পর্যালোচনা করছে।

তিনি বলেন, ‘এটি শুধু মুজিববর্ষ নয়, আরও অনেক বিষয় রয়েছে। আমরা সবকিছু পর্যালোচনা করছি।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি ব্যয়ের বিভিন্ন খাত মূল্যায়নের কাজ চলছে। মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সব বিষয় পর্যালোচনা করছি। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

এর আগে সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, মুজিববর্ষ উদযাপনের ব্যয় নিয়ে সরকার কোনো নিরীক্ষা বা তদন্ত শুরু করেছে কি না এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহার বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কি না।

এ ছাড়া, ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তিকে প্রচারের উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় ঠেকাতে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও জানতে চান ওই সংসদ সদস্য।

জবাবে অর্থমন্ত্রী পুনরায় বলেন, এসব বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সরকার সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং মূল্যায়ন শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!