অবৈধ মদ ও শুল্ক-ভ্যাট ফাঁকি, ৪ প্রতিষ্ঠানে এনবিআরের অভিযান

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহের অভিযোগ পাওয়া যায়
অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহের অভিযোগ পাওয়া যায়|ছবি: সংগৃহীত

অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের অবৈধ উৎস এবং শুল্ক-ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানে একযোগে অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—র-ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ এবং ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড।

শনিবার (৩ অক্টোবর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) চারটি দলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর)-এর কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ভাষাকোর্সে ভর্তি, আবেদন ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার বিভিন্ন বার, রেস্টুরেন্ট, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও শুল্কমুক্ত দোকানে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহের অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে র-ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ এবং ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান চালানো হচ্ছে।

অভিযানে প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুতে থাকা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের উৎস, আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত দলিল, পণ্যের বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট শুল্ক-মূসক ও আয়কর পরিশোধের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নথিপত্র ও মজুত যাচাইয়ের পাশাপাশি কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে পণ্য আটকের কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব পণ্য অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মজুত, আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত দলিল এবং কর-শুল্ক পরিশোধের তথ্য পর্যালোচনা করছেন।

অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে এনবিআর।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!