দেশের বিভিন্ন স্থানে ও কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পলাতক স্বৈরাচার শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টিতে অর্থ সরবরাহ করছে। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করা কয়েকটি দলও এতে যুক্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে, তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে।...কাদের সাহায্যে করছে? এই যে কতটা দল আছে, যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশের মধ্যে। তারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।’
আরও পড়ুন: মাদক, কিশোর গ্যাং ও র্যাগ ডে বন্ধে মাউশির কঠোর নির্দেশনা
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা বৃদ্ধি, বন্ধ কলকারখানা চালু এবং কৃষকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়িয়ে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু কয়েকটি দল রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এসব উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার সময়ও ষড়যন্ত্র হয়েছে। এখনো দেশের অগ্রগতির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

