মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপতারুণ্যপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনলাইফস্টাইলভিডিওবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাপ্রশাসনঅর্থনীতিপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
শিক্ষা
উচ্চশিক্ষা
The Generation Today
সর্বশেষশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপতারুণ্যপ্রযুক্তিখেলাবিনোদন
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরপ্রফেশনাল প্রোগ্রামএমফিল-পিএইচডিক্যাম্পাস
খবরদেশিবিদেশিপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
নির্বাচনপ্রবাসসাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাশিক্ষা আন্দোলনপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাধর্মউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
বাংলাদেশ

প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৩০ AM

৯৮ শতাংশ বরাদ্দ গেছে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর খাতে
৯৮ শতাংশ বরাদ্দ গেছে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর খাতে|ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বরাদ্দের মাত্র ২ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য রাখা হয়েছে, আর বাকি ৯৮ শতাংশ বরাদ্দ গেছে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর খাতে। গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী অবস্থানে এখনও জীবাশ্ম জ্বালানিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব স্পষ্ট।

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত কী পেল?’ শীর্ষক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী হেলেন মাশিয়াত প্রিয়তী।

আরও পড়ুন: বর্ষা শেষে ভোটের প্রস্তুতি, সরকারের লক্ষ্য এক বছরে সব নির্বাচন

সিপিডির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের জন্য মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। তবে জাতীয় বাজেটে এ খাতের অংশীদারিত্ব ২ দশমিক ১৫ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের বরাদ্দ ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১৪ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকায় দাঁড়ালেও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের বরাদ্দ প্রায় ৭২ শতাংশ বেড়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রমে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাজেটে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা, এনবিআরে বাড়তি চাপ

প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের বাজেটে প্রথমবারের মতো সৌরবিদ্যুৎ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ২০৩৫ সাল পর্যন্ত এ খাতে শূন্য শতাংশ করহার বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ৫ শতাংশ কর রেয়াত, সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও উপকরণের ওপর করভার কমানো এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং কেন্দ্রের কর প্রত্যাহার ও নিবন্ধন ফি হ্রাসের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সিপিডি।

তবে সংস্থাটি বলছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহিত করার এসব পদক্ষেপের পাশাপাশি বাজেটে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি বহাল রাখা হয়েছে। ফলে এলএনজি এখনও সবচেয়ে কম করযুক্ত জ্বালানি হিসেবে রয়ে গেছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কয়লা আমদানিতে শুল্ক সুবিধার মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরে ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সিপিডি বলেছে, একদিকে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি নিরুৎসাহিত করার কথা বলা হলেও অন্যদিকে এ খাতকে ধারাবাহিকভাবে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন কয়লা অনুসন্ধান এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে শুল্ক সুবিধা অব্যাহত রাখা জ্বালানি রূপান্তরের ঘোষিত লক্ষ্য ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

আরও পড়ুন: ২ লাখ ৮৩ হাজার রোহিঙ্গাকে নাগরিক স্বীকৃতি মিয়ানমারের

সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বাইরে থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহিত করার বার্তা দেওয়া হলেও নীতিগতভাবে এখনও জীবাশ্ম জ্বালানির প্রতিই ঝোঁক বেশি। তার মতে, প্রস্তাবিত বাজেট রাজস্ব কাঠামোর বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে পারেনি। কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ থাকলেও জীবাশ্ম জ্বালানি, এলএনজি, কয়লা ও তেল খাতে দেওয়া বিশেষ সুবিধা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমিতির সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, ডেমোক্রেটিক বাজেট মুভমেন্টের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ ইমরান বক্তব্য দেন।

ট্যাগ:জীবাশ্ম জ্বালানিবিদ্যুৎ উৎপাদনবাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডবিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ীজ্বালানি তেলজ্বালানি তেল সংকটজ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!