প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সামনে একটি কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ সময় অপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বহীনভাবে চললে দেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে।
রবিবার (৩১ মে) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সুপরিকল্পিতভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্ব, সততা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিতি লাভ করেছিল। দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
আরও পড়ুন: দেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যে আদর্শ ও দর্শন নিয়ে দেশ পরিচালনা করতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকারও সেই পথ অনুসরণের চেষ্টা করছে। তবে সরকারের সাফল্য শুধু মন্ত্রীদের পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করে না; দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সক্রিয় সহযোগিতাও প্রয়োজন। নির্বাচনে যেমন সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিজয় এসেছে, তেমনি রাষ্ট্র পরিচালনাতেও সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিচারব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ নানা খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন সরকারের ওপর।
আরও পড়ুন: তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুন্নাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপির যে ইশতেহার ছিল, জনগণের রায়ের মাধ্যমে তা এখন জাতীয় অঙ্গীকারে পরিণত হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে সেই ইশতেহারের বাস্তবায়নে সবাইকে কাজ করতে হবে। বিএনপি সরকার জিয়াউর রহমানের দর্শন ও নীতির আলোকে দেশ পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ও সরকারের সফলতা নিশ্চিত করতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ইশতেহার বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

