বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে তেলের দাম

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ:

সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে আসে
সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে আসে|ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত মে মাসের পর সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর টানা কয়েক দিনের ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতায় একদিনেই ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এতে হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে সৌদি আরবের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পথও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

আরও পড়ুন: এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা বলছে ইসি

তেলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বেড়েছে। যুক্তরাজ্যের গ্যাসের বেঞ্চমার্ক মূল্য বর্তমানে প্রতি থার্ম প্রায় ১৫০ পেন্স, যা জুনের শেষ দিকে ছিল প্রায় ৯৮ পেন্স।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে আসে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর আগের অবস্থার কাছাকাছি নেমে যায়। তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আবার পাল্টে যায়। এ সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত নয়।

অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ আবারও বাড়তে পারে। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বাড়ে। ফলে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!