প্রতিমন্ত্রীর বৈঠকে ফল শূন্য, আন্দোলনে অটল প্রাথমিক শিক্ষকরা

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

আন্দোলনকারী শিক্ষকরা
আন্দোলনকারী শিক্ষকরা|ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠকে সুনির্দিষ্ট সমাধান না পাওয়ায় প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আন্দোলনকারী শিক্ষকরা।

আরও পড়ুন: ৬ মাসের মধ্যে সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু হবে

ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার কথাও জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিমন্ত্রী দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আশ্বাস দিলেও নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বা দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যায়নি। এ কারণে তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আন্দোলনকারীদের একজন প্রতিনিধি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু ইতিমধ্যে তিন মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। আমাদের অনেকে আগের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। প্রজ্ঞাপন ছাড়া এবার আমরা ঘরে ফিরব না।’

আরও পড়ুন: শিক্ষা খাতে ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে

এর আগে রোববার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনের সড়কে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা। পরে দুপুরে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠকে বসেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদল। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী যোগদানপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুন: নকল বাথরুমে পেলেও প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে জবাবদিহি করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

তবে ফল প্রকাশের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও যোগদানের নির্দেশনা না পাওয়ায় সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশা তৈরি হয়েছে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!