দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষায় ৩০৫ জন নেগরান-মুমতাহিন নিয়োগ দেবে আল-হাইআতুল উলয়া

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ|ছবি: সংগৃহীত

১৪৪৮ হিজরি/২০২৭ সালের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য আরও ২৫০ জন সহকারী নেগরান ও ৫৫ জন মুমতাহিন নিয়োগ দেবে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকারী প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে যারা আবেদন করেছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

সহকারী নেগরান পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) শ্রেণির বর্তমান শিক্ষক হতে হবে। পাশাপাশি দাওরায়ে হাদিসের কিতাব পাঠদানে কমপক্ষে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: বিইউপিতে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তি, আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

এ ছাড়া পরীক্ষার হল পরিচালনায় দক্ষতা, প্রধান নেগরানের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং পরীক্ষাসংক্রান্ত গোপনীয়তা ও আমানতদারি রক্ষার সক্ষমতা থাকতে হবে। আল-হাইআতুল উলয়া আয়োজিত কর্মশালা ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণের সম্মতিও প্রয়োজন।

মুমতাহিন পদে আবেদনকারীকেও দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) শ্রেণির বর্তমান শিক্ষক হতে হবে। এ ক্ষেত্রে দাওরায়ে হাদিসের যেকোনো কিতাব পাঠদানে কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া দাওরায়ে হাদিস অথবা ফযিলত স্তরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কিতাবের উত্তরপত্র কমপক্ষে দুই বছর মূল্যায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট কিতাব ও বিষয়ে উচ্চমানের দক্ষতা এবং গভীর অনুধাবন থাকা জরুরি। একই সঙ্গে আল-হাইআতুল উলয়ার স্থায়ী কমিটি নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রস্তুতিও থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: গবেষণায় ১০ লাখ টাকা অনুদান দেবে ইউজিসি, আবেদন করবেন যেভাবে

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ২০২৭ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শুরু হবে। এ কার্যক্রম প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন চলতে পারে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হবে।

প্রত্যেক মুমতাহিনকে সাধারণত ৩০০ থেকে ৪০০টি উত্তরপত্র দেওয়া হতে পারে। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী এ সংখ্যা কমবেশি হতে পারে। বোর্ডের পরীক্ষক হলে উত্তরপত্রের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম দেওয়া হতে পারে।

মুমতাহিনদের নিজ নিজ কিতাবের নমুনা উত্তরপত্র তৈরি করে মূল্যায়নকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। প্রতিদিনের মূল্যায়ন শেষে সংশ্লিষ্ট দিনের নম্বর সফটওয়্যারে এন্ট্রি করতে হবে। শেষ দিনে সফটওয়্যারে সংরক্ষিত নম্বরের প্রিন্ট নিয়ে উত্তরপত্রে লেখা মোট নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করে নম্বরের ক্রমানুসারে উত্তরপত্র সাজাতে হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট আবেদন ফরম ডাউনলোড করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। এরপর মুহতামিম অথবা নাজিমে তা‘লীমাতের স্বাক্ষর ও সিল সংগ্রহ করে নিজ নিজ মাদ্রাসার অ্যাডমিনের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে।

আবেদনপত্রে ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য নির্ভুলভাবে উল্লেখ করতে হবে। নেগরান ও মুমতাহিন পদে আবেদনকারীদের পূর্ববর্তী বছরের মুমতাহিন আইডি থাকলে তা-ও উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক রঙিন ছবি এবং সম্পূর্ণ পূরণ করা আবেদন ফরমের স্পষ্ট স্ক্যান কপি সংযুক্ত করতে হবে।

আরও পড়ুন: বিইউপিতে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে মাস্টার্সে ভর্তি, আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

আবেদনের লিংক দুটি হলো—

সহকারী নেগরান পদ: https://shorturl.at/ttqHv

মুমতাহিন পদ: https://shorturl.at/pzib6

আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১ নভেম্বর ২০২৬ (২০ জুমাদাল উলা ১৪৪৮ হিজরি)।

আবেদনকারীদের মধ্য থেকে প্রয়োজনীয়সংখ্যক যোগ্য সহকারী নেগরান ও মুমতাহিন বাছাই করে নিয়োগ দেওয়া হবে। অন্য যোগ্য আবেদনকারীদের অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হতে পারে। মনোনীত কোনো ব্যক্তি পরীক্ষার আগে দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করলে প্রয়োজন অনুযায়ী অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে অন্য প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং মুহতামিমদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে আল-হাইআতুল উলয়া।

চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অফিস ব্যবস্থাপক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মু. অছিউর রহমান।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!