বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) ৩৯তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। পাসের গড় হার ৮০.৯৫ শতাংশ। এতে মোট ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩৬ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে চারটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে ভালো ফল করেছে।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বেফাক মিলনায়তনে বুধবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টায় বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
চারটি মাদ্রাসা হলো মাদারীপুর শিবচরের জামিয়াতুস সুন্নাহ, নারায়ণগঞ্জের জালকুড়ির জামিআ রাব্বানিয়া আরাবিয়া, যশোরের আশরাফুল মাদারিস ও রাজধানীর দিলুরোড মাদরাসা বা জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম।
জামিয়াতুস সুন্নাহর ৬৫২ শিক্ষার্থী বেফাক পরীক্ষায় অংশ নেন। সানাবিয়া উলিয়ায় মো. ইসমাইল হোসেন দ্বিতীয় স্থান, মো. নূরুল ইসলাম ষষ্ঠ স্থান এবং ফজিলতের স্তরে তাউফিকুর রহমান ষষ্ঠ হয়েছেন। এ ছাড়াও কয়েকশ শিক্ষার্থী স্টার মার্ক পেয়েছেন।
জামিআ রাব্বানিয়া আরাবিয়ার ১৯১ শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ফজিলত স্তরে আব্দুল্লাহ বিন ওমর মেধা তালিকায় দ্বিতীয়, সানাবিয়া উলিয়ায় হুসাইন আহমদ চতুর্থ ও সানাবিয়ায় ফয়জুল্লাহ ষষ্ঠ হয়েছেন। মুতাওয়াসসিতায় এনামুল হক দ্বিতীয় ও আব্দুল্লাহ তৃতীয় হয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানটির ৯১ শিক্ষার্থী ইবতিদায়ি পরীক্ষায় অংশ নেন। এদের মধ্যে মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন ৮২ জন। মুতাওয়াসসিতায় ৬৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় আছেন ৬২ জন। সানাবিয়ায় ৪৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন ১৩ জন। ফজিলতে ২৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে মেধা তালিকায় ৬ জন স্থান পেয়েছেন।
আশরাফুল মাদারিসের ১৯১ পরীক্ষার্থীর মধ্যে সবাই কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। সানাবিয়া পরীক্ষায় মো. উবাইদুল্লাহ আল হাসান ও মুহাম্মদ উসমান গনী এবং সানাবিয়া উলিয়ায় মুহা. আবু বকর খান ও মো. তৌফিক খান মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন।
এবারের পরীক্ষায় দিলুরোড মাদ্রাসা থেকে ১৯১ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১৯১টি মেধাস্থান অর্জন করে সারা দেশে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে। একইসঙ্গে ঢাকার মধ্যে বরাবরের ন্যায় এবারও প্রথম স্থান লাভ করেছে। হিফজ বিভাগে প্রথম স্থান ও তায়সির জামাতে তৃতীয় স্থান পাওয়ার পাশাপাশি সানাবিয়া উলিয়া পরীক্ষায় ত্বলহা মুহাম্মদ আউয়াল এবং সানাবিয়া স্তরে মো. খালেদ সাইফুল্লাহ ও মো. মাহদী হাসান মেধা তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।

