শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাভীতি কাটানোর উপায়

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

পরীক্ষাভীতি
পরীক্ষাভীতি|ছবি: সংগৃহীত

পরীক্ষা সামনে এলেই অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে বাড়তে থাকে দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা ও মানসিক চাপ। অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ, ভালো ফলের প্রত্যাশা এবং সময়মতো প্রস্তুতি শেষ করার চিন্তা থেকে তৈরি হয় এই পরীক্ষাভীতি। এতে ঘুমের সমস্যা, অনিয়মিত খাবার খাওয়া ও মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে সহজেই এই ভয় ও চাপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: বিশ্বসেরা ৩০ স্কলারশিপের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

বাস্তবসম্মত রুটিন তৈরি করুন

পড়াশোনাকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সময় নির্ধারণ করলে চাপ কমে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য আলাদা সময় রাখুন এবং মাঝে ছোট বিরতি নিন। এতে মনোযোগ ও পড়ার গতি দুটোই বাড়ে।

পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি

রাত জেগে পড়াশোনা করলে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমে যেতে পারে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়তা করে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

পুষ্টিকর খাবার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। ডিম, ফল, বাদাম ও সবুজ শাকসবজি খাদ্যতালিকায় রাখুন। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও কোমল পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

আরও পড়ুন: ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ নিয়োগ দেবে অ্যাডমিন অফিসার, আবেদন ২ জুন পর্যন্ত

রিলাক্সেশন অনুশীলন করুন

শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম, মেডিটেশন বা হালকা ইয়োগা মানসিক চাপ কমাতে কার্যকর। প্রতিদিন কয়েক মিনিট সময় দিলেও মন শান্ত থাকে।

পড়ার পরিবেশ শান্ত রাখুন

নীরব ও গোছানো পরিবেশে পড়াশোনা করলে মনোযোগ বাড়ে। মোবাইল ফোন বা টিভির মতো মনোযোগ নষ্টকারী বিষয় দূরে রাখুন।

ইতিবাচক চিন্তা করুন

‘আমি পারব না’ ধরনের নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। আত্মবিশ্বাস পরীক্ষার ভয় অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

শরীরচর্চা করুন

নিয়মিত হাঁটা, খেলাধুলা বা ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে মন ভালো থাকে এবং পড়ায় মনোযোগ বাড়ে।

আরও পড়ুন: সেভ দ্য চিলড্রেন নিয়োগ দেবে সিনিয়র অফিসার, আবেদন শেষ ১৬ মে

শিক্ষার্থীদের জীবনে পরীক্ষা একটি অংশমাত্র, এটি তার যোগ্যতার একমাত্র পরিচয় নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেমনটি গুরুত্ব দিয়েছে। একাডেমিক সাফল্যের মতোই মানসিক সুস্থতা অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা, সহায়ক পরিবেশ তৈরি এবং খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাস ও শান্ত মনে পরীক্ষার মুখোমুখি হতে পারবে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের শেখানো উচিত। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা একটি জীবনমুখী দক্ষতা, যা শুধু পরীক্ষার সময়ের জন্য নয়।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!