প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ: যোগ দেননি ১৪৭১ জন, শিগগিরই নতুন বিজ্ঞপ্তি

জ

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১ হাজার ৪৭১ জন চাকরিতে যোগ দেননি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১ হাজার ৪৭১ জন চাকরিতে যোগ দেননি|ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১ হাজার ৪৭১ জন চাকরিতে যোগ দেননি। এর মধ্যে কেউ নিয়োগপত্র পেয়েও নির্ধারিত সময়ে যোগ দেননি ৯১৮ জন এবং কাগজপত্রই জমা দেননি ৫৫৩ জন। অন্যদিকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও বিভিন্ন কারণে ৮৩ জন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

ফলে শিক্ষক সংকট কাটাতে শিগগিরই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ, বকেয়া নিয়ে শর্ত

বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়।

কয়েক ধাপে দেওয়া ওই নির্দেশনার পর ১৩ হাজার ৮৩১ জন কাগজপত্র জমা দেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে ৫৫২ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। এ ছাড়া একজন প্রার্থী মারা গেছেন।

কাগজপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পান।

তবে তাদের সবাই চাকরিতে যোগ দেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২ হাজার ৮৩০ জন পদে যোগ দিলেও ৯১৮ জন নিয়োগপত্র হাতে পেয়েও কাজে যোগ দেননি। সব মিলিয়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়া ৫৫৩ জন এবং নিয়োগপত্র পেয়েও যোগ না দেওয়া ৯১৮ জনসহ মোট ১ হাজার ৪৭১ জন সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেননি। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের কেউ অন্য চাকরিতে চলে গেছেন, আবার কেউ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর আগ্রহ দেখাননি।

এদিকে নিয়োগের বিভিন্ন ধাপে ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেলেও ৮৩ জন শেষ পর্যন্ত নিয়োগ পাননি।

আরও পড়ুন: কারিগরির ২১৪০ প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য, শিক্ষকদের বদলি আবেদন শিগগিরই

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম বলেন, অনেক প্রার্থী কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় শুরু থেকেই বোঝা গেছে তারা চাকরিতে আগ্রহী নন। আবার কেউ নিয়োগপত্র পেয়েও যোগ দেননি। তাদের অনেকের অন্য জায়গায় চাকরি হয়ে থাকতে পারে। সরকারি নিয়োগে এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়।

তবে বিপুলসংখ্যক প্রার্থী যোগ না দেওয়ায় এবার বিষয়টি অধিদপ্তরের জন্য কিছুটা চাপ তৈরি করেছে। আবদুর রহিম বলেন, বড় একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। এরপরও পদ শূন্য থাকলে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়। এ কারণে দ্রুত নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!