দীর্ঘ তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এইচএসসি (বিএমটি) পর্যায়ের ২৬টি বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা হবে না কেন এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ ব্যাখ্যা করে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পাঠানো এক তাগিদপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর একই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। জবাব দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল ১ অক্টোবর। ওই সময়ের মধ্যে কোনো ব্যাখ্যা না পাওয়ায় এবার পুনরায় তাগিদপত্র পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: মিউজকে বিভিন্ন ডিভাইসে ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে মেটা
তাগিদপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী ২৬টি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। অথচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতির শর্ত অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠানে টানা তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে সেই প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি বাতিলের বিধান রয়েছে।
বোর্ড আরও জানিয়েছে, ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা পর্যায়ের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদানসংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০’-এর বিধি ৫.৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরিসহ পাঠদানের অনুমতি দেওয়ার সময় আরোপিত এবং অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।
আরও পড়ুন: এআই চ্যাটবটকে যেসব বিষয়ে প্রশ্ন করা উচিত নয়
তাগিদপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, গত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় সংযুক্ত তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতসহ তাদের পাঠদানের অনুমতি কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে হবে।
এদিকে, এর আগের দিন সোমবার (৫ অক্টোবর) ডিপ্লোমা পর্যায়ের ৮৬টি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

