বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কোন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেবেন—এ সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক শিক্ষার্থীর জন্যই কঠিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাক্রম থাকায় পছন্দের সুযোগ যেমন বাড়ে, তেমনি সিদ্ধান্ত নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
বিদেশে পড়াশোনার পরিকল্পনা শুরু করার পর কোথা থেকে শুরু করবেন, কোন দেশ আপনার জন্য উপযুক্ত কিংবা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করবেন। এসব নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। এ ক্ষেত্রে নিজের পছন্দ, ভাষা, আবহাওয়া, খরচ, পড়াশোনার ধরন, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার, বৃত্তির সুযোগ ও ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তিন শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতা এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
ভাষাকে প্রথম অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন রুবেল
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুবেল হোসাইন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে স্নাতক পর্যায়ে পড়ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তিনি তিন স্তরের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছিলেন।
আরও পড়ুন: ঘরে বসেই যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্টিফিকেটসহ ফ্রি অনলাইন কোর্সের সুযোগ, আবেদন যেভাবে
প্রথমে তিনি ঠিক করেন কোন ভাষায় পড়াশোনা করতে চান। তিনি তিনটি ভাষায় কথা বলতে পারেন। তবে পড়াশোনার জন্য ইংরেজিকেই বেশি পছন্দ করেন। পাশাপাশি জার্মান ভাষাও জানেন। তাই জার্মানও তার পছন্দের তালিকায় রাখেন। যদিও আন্তজার্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বের সব দেশেই ইংরেজিতে ডিগ্রী দেওয়া হয়। তবে স্থানীয় ভাষা জানা থাকলে নিজের কমিউনিকেশন এবং কাজের জন্য খুবই সুবিধা হয়। । তাই এই দেশটিকেও তিনি সম্ভাব্য গন্তব্যের তালিকায় রাখেন। তবে এই দেশটির প্রসেসিং সময় একটু দেরী হওয়ায়। সেখানে আর আগ্রহ দেখাননি রুবেল।
এরপর পরের অগ্রাধিকার হিসেবে তিনি কোন দেশ ও আবহাওয়ায় বসবাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন, তা বিবেচনা করেন। এভাবে তার পছন্দের তালিকা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও স্পেনে সীমিত হয়ে আসে।
তিনি জানতেন, ইউরোপের দেশগুলোর তুলনায় কিছুটা বেশি উষ্ণ ও রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ায় পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের মত কিছুটা। তাই যুক্তরাষ্ট্রকেই নিজের পছন্দের শীর্ষ তালিকায় বেছে নেন। বলে রাখা ভালো বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের লাইফ স্ট্যাইলসহ যাবতীয় চাহিদা পূরনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম একটি দেশ। সেইটি বিবেচনায়ও অনেক শিক্ষার্থী দেশটিকে বেছে নেন।
তৃতীয় অগ্রাধিকার ছিল কোন বিকল্পটি অর্থনৈতিক ও একাডেমিক—দুই দিক থেকেই বাস্তবসম্মত, তা যাচাই করা। যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলেও খরচ বহন করা তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই সেটি তালিকা থেকে বাদ দেন। একই কারণে নেদারল্যান্ডসও বাদ পড়ে।
এরপর নিজের ফলাফলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করেন। তবে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, নিজের যোগ্যতার সীমার একটু বাইরের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়েও আবেদন রাখা উচিত। একই সঙ্গে এমন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা উচিত, যেখানে ভর্তি হলেও পড়াশোনা করতে ভালো লাগবে।
রুবেল শেষ পর্যন্ত নিজের প্রথম পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পড়ার সুযোগ পান। প্রথম বর্ষের পড়াশোনা তিনি দেশে থেকেই অনলাইনে করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও সেখানে পাওয়া সুযোগগুলো তার ভালো লাগছে।
তিনি বলেন, তিন স্তরের অগ্রাধিকার নির্ধারণের পদ্ধতিটি তার ক্ষেত্রে কার্যকর হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের জন্যও এমন একটি অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজের ভালো লাগাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কী অর্জন করতে চান, তা আগে ঠিক করা জরুরি
নোয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী পারভেজ হোসেন বলেন, জীবনের তিন থেকে চার বছর যে জায়গায় কাটাতে হবে, সেই দেশ বেছে নেওয়া সহজ নয়। বিশেষ করে একাধিক দেশ পছন্দের তালিকায় থাকলে সিদ্ধান্ত আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপ দেবে ইউজিসি, আবেদন ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই
তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার নিজ শহর থেকে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্যবসা অর্থনীতি পড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তিনি নিজেকে প্রথমে একটি প্রশ্ন করেছিলেন—বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি কী অর্জন করতে চান?
এরপর গবেষণা করে তিনি দেখেন, বিভিন্ন দেশ এমনকি একই দেশের বিভিন্ন শহরের সংস্কৃতি, ডিগ্রির কাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। তিনি এমন একটি নমনীয় পাঠ্যক্রম চেয়েছিলেন, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা ও প্রধান বিষয় পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। তাই তার পছন্দের তালিকা যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরে সীমিত হয়ে আসে। এসব জায়গা থেকে পাওয়া প্রস্তাবগুলোর মধ্যে উদারধারার পাঠ্যক্রমের সুযোগ ছিল।
শুধু পড়াশোনা নয়, শহর ও জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ
বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি যে শহরে শিক্ষার্থী কয়েক বছর বসবাস করবেন, সেই শহরের পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের জীবনও শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতার একটি বড় অংশ।
একজন শিক্ষার্থী ভালো পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের বিভিন্ন কার্যক্রমের সুযোগও খুঁজেছেন। এ জন্য তিনি সহশিক্ষা কার্যক্রমের সুযোগগুলো নিয়ে গবেষণা করেন।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে নতুন সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ক্যাম্পাসে নিজের দেশের বা একই সংস্কৃতির শিক্ষার্থীদের কোনো সম্প্রদায় আছে কি না, সেটিও তিনি খুঁজেছেন। বর্তমানে পড়াশোনা করছেন এমন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়ার একটি কার্যকর উপায়।
দেশ বাছাইয়ে যেসব বিষয় বিবেচনা করবেন
কোন বিষয়গুলো আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা আগে ঠিক করা জরুরি। কারণ বিদেশে পড়াশোনার জন্য দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনেক বিষয় বিবেচনা করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মহামারির কারণে ভর্তি বা বিদেশে যাওয়ার সুযোগে সম্ভাব্য প্রভাব, বৃত্তির সুযোগ এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা।
সব বিষয়কে সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা অনেক সময় জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই নিজের জন্য কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো অগ্রাধিকার অনুযায়ী নির্ধারণ করা প্রয়োজন। শেষ পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যেটি নিয়ে শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন।
ইন্টারনেট ঘেঁটে সম্ভাব্য দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে দেখা
চট্টগ্রামের আরেক শিক্ষার্থী এক বছর বিরতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধা-অসুবিধা তুলনা করতে দীর্ঘ সময় ধরে ইন্টারনেটে তথ্য খুঁজেছেন। শুরুতে তার পছন্দ ছিল যুক্তরাজ্য। তবে পরে ইউটিউবে যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কীভাবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনভিত্তিক বৃত্তি দেয়, সে বিষয়ে ভিডিও দেখেন। এরপর তিনি আরও ভিন্ন ধরনের গন্তব্য বিবেচনা করার সুযোগ পান।
বর্তমানে তার পছন্দের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্য রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্তের সময় ঘনিয়ে আসায় তিনি দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে নির্ধারণ করেছেন। প্রথমত সামগ্রিক বা বহুমুখী শিক্ষা এবং কঠোর একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ।
শুধু একটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বহুমুখী সুযোগ খুঁজুন
জীববিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও ওই শিক্ষার্থী শিক্ষা নীতি ও মানবাধিকারের মতো অন্যান্য বিষয়েও পড়াশোনা করতে চান। এ কারণেই তিনি নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের উদারধারার শিক্ষাক্রম অনুসরণকারী কলেজ এবং সিঙ্গাপুরের ইয়েল-এনইউএসের প্রতি আগ্রহী।
তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের উন্মুক্ত ও নমনীয় পাঠ্যক্রম শিক্ষার্থীকে নিজের পড়াশোনার দিক নির্ধারণের সুযোগ দেবে। তবে নিজের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত গন্তব্য খুঁজে পাওয়া একদিনে সম্ভব নয়। তাই দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় বাছাইয়ের পরিকল্পনা তাড়াহুড়া করে করা উচিত নয়। সম্ভাব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা তৈরি করতে পর্যাপ্ত সময় নেওয়া প্রয়োজন।
গবেষণা করে ওই শিক্ষার্থী এমন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেছে নিয়েছেন, যেখানে নাগরিক সম্পৃক্ততার বিভিন্ন কার্যক্রম, স্নাতক শিক্ষার্থীদের পরিচালিত গবেষণা কর্মসূচি এবং বেতনসহ ইন্টার্নশিপের সুযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: সুইডেনে উচ্চশিক্ষা: আবেদন, যোগ্যতা, খরচ ও আবাসন অনুমতির যা জানা দরকার
তিনি ইউরোপ থেকে অনেক দূরে গিয়ে নতুন পরিবেশে নিজেকে চ্যালেঞ্জ করতে চান। এ কারণে তার পছন্দের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর এগিয়ে রয়েছে। তবে নিজের দেশের কাছাকাছি থাকা বিকল্পগুলোও কখনো পুরোপুরি বাদ দেওয়া উচিত নয়।
পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করতে চাইলে
যেসব শিক্ষার্থী পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করে নিজের খরচের একটি অংশ বহন করতে চান, তাদের দেশ বাছাইয়ের সময় শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমতি ও কাজের সময়সংক্রান্ত নিয়মকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
তবে শুধু ‘পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করা যাবে’—এমন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেশ নির্বাচন করা ঠিক নয়। কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা, ঘণ্টাপ্রতি আয়, কর, বাসাভাড়া, যাতায়াত খরচ এবং পড়াশোনার চাপ সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
বিশেষ করে প্রথম কয়েক মাস চাকরি পাওয়া নাও যেতে পারে। তাই বিদেশ যাওয়ার সময় পর্যাপ্ত অর্থ সঙ্গে রাখা জরুরি। পড়াশোনার খরচ, বাসাভাড়া ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটানোর জন্য পুরোপুরি খণ্ডকালীন চাকরির ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ।
দেশ বাছাইয়ের আগে একটি তালিকা তৈরি করুন—
*শিক্ষার্থীর স্বামী বা স্ত্রীকে সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ আছে কি না;
*স্বামী বা স্ত্রীর কাজ করার আইনগত অনুমতি রয়েছে কি না;
*শিক্ষার্থীর নিজের কাজের অনুমতি ও শর্ত কী;
*পড়াশোনার পাশাপাশি কত সময় কাজ করা যায়;
*বিশ্ববিদ্যালয়ের শহরে খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ কেমন;
*দুজনের জন্য মাসিক জীবনযাত্রার আনুমানিক খরচ কত;
*বাসাভাড়া ও যাতায়াত ব্যয় কত;
*বৃত্তি বা টিউশন ফি ছাড়ের সুযোগ আছে কি না;
*পড়াশোনা শেষে কাজ বা অবস্থানের সুযোগ কী;
*ভিসা ও আবাসন অনুমতির জন্য কী পরিমাণ অর্থের প্রমাণ প্রয়োজন।
পরিবারের সামর্থ্যও বিবেচনায় রাখুন
বিদেশে পড়াশোনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো আর্থিক সক্ষমতা। পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশ বেছে নেওয়ার পাশাপাশি সেখানে পড়াশোনা ও বসবাসের খরচ পরিবার বহন করতে পারবে কি না, তা আগে যাচাই করা জরুরি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি, জীবনযাত্রার ব্যয়, বৃত্তির সুযোগ, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা এবং নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। সবশেষে এমন বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে পড়াশোনার সুযোগ যেমন থাকবে, তেমনি সেটি শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যের মধ্যেও থাকবে।

