ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি
ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি|ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আতসুশি সুনামি। তাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব ল’জ’ ডিগ্রি প্রদান করা হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ট্রাস্টফান্ডের অন্যতম দাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশিদকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সায়েন্স’ ডিগ্রিতে ভূষিত করা হবে।

একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের পর সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাবর্তনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সম্মতি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ইউটিউব থেকে ঘরে বসে আয় করবেন যে কৌশলে

সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি ও সার্বিক কার্যক্রম নির্ধারণের লক্ষ্যে রবিবার (১১ অক্টোবর) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সিনেট সদস্য ও সংসদ সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন এবং এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলন। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা সভায় অংশ নেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০ নভেম্বর ২০২২ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ডিগ্রি অর্জনকারী গ্র্যাজুয়েট এবং পদকপ্রাপ্তরা ৫৪তম সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবেন। সমাবর্তনে অংশগ্রহণের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে। আবেদন করা যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

আরও পড়ুন: স্মার্টফোনের অ্যাপ নিয়মিত আপডেট রাখা জরুরি কেন?

সমাবর্তন অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সভায় একটি নির্বাহী কমিটি, একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বেশ কয়েকটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সমাবর্তনকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন। আয়োজন সফল করতে সংশ্লিষ্ট উপকমিটিগুলোকে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশনাও দেন তিনি।

একই সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও বাড়াতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান উপাচার্য।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!