ঈদের নামাজেও হামলা করেছে ইসরায়েল

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ:

আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর টিয়ারগ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে হামলা ইসরায়েলি বাহিনীর
আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের সময় মুসল্লিদের ওপর টিয়ারগ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে হামলা ইসরায়েলি বাহিনীর|ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে আসা মুসল্লিদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

শুক্রবার (২০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ‘ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে, মসজিদে প্রবেশপথে বাধার মুখে পড়ে মুসল্লিরা। পরে মসজিদের আশপাশের সড়কেই ঈদের নামাজ আদায় করেন তারা। এ সময় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ কাছাকাছি স্থানে জড়ো হয়ে নামাজ আদায়ের আহ্বান জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেরুজালেমের পুরান শহরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনীর কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শহরের একাধিক স্থানে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে এবং অন্তত একজনকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টানা প্রায় ২১ দিন ধরে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনকি পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও সাধারণ মুসল্লিদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। জেরুজালেমের গুরুত্বপূর্ণ চেকপয়েন্টগুলো বন্ধ থাকায় অনেক ফিলিস্তিনি ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মসজিদে পৌঁছাতে পারেননি। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অচলাবস্থায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার নগ্ন লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!