কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ:

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান|ছবি: সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ থামাতে কিছু দেশ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। যদিও কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

বিবিসি জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে মাসুদ পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘কিছু দেশ মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা শুরু করেছে। পরিষ্কার বলি, আমরা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ, তবে আমাদের জাতির মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে কোনো দ্বিধা নেই।’

তিনি বলেন, ‘মধ্যস্থতা তাদের উদ্দেশে হওয়া উচিত, যারা ইরানি জনগণকে অবমূল্যায়ন করেছে এবং এই সংঘাতকে উসকে দিয়েছে।’

পেজেশকিয়ানের এই মন্তব্য আসে এমন এক সময়, যখন ইরানের আরব প্রতিবেশীরা তাদের দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি, বেসামরিক স্থাপনা এবং জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে পরিচালিত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণু ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যেই এই হামলা চালানো হয়। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ ও বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ অন্তত ৪৮ শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন।

জবাবে ইসরায়েলে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। খামেনিকে হত্যার পর গত রোববার থেকে হামলার তীব্রতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে তেহরান। সৌদি আবর, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১০টি দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান।

গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সে সময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন। ১২ দিনের সংঘাত শেষে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছায়। সেই সংঘাতই ভিত গড়ে দেয় এবারের যুদ্ধের।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!