২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডিয়ান কবি, প্রাবন্ধিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অ্যান প্যাট্রিসিয়া কারসন। ৭৬ বছর বয়সী এই সাহিত্যিকের নাম বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় ঘোষণা করে নোবেল কমিটি।
নোবেল কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, সমকালীন সাহিত্যে নতুন রূপের সৃষ্টির পাশাপাশি ধ্রুপদি সাহিত্যের সঙ্গে সৃজনশীল সংলাপ তৈরির জন্য কারসনকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। কমিটি তার সাহিত্যকর্মকে ‘সাহসী ও উদ্ভাবনী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়' মাস্টার্সে ভর্তি, আবেদন ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত
টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অ্যান কারসন ১৯৭৯ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছেন। ক্লাসিকস, তুলনামূলক সাহিত্য ও সৃজনশীল লেখা পড়িয়েছেন তিনি। তার শিক্ষকতার তালিকায় রয়েছে ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়।
কারসনের লেখা ও অনুবাদ মিলিয়ে এ পর্যন্ত ২০টিরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনে তিনি গুগেনহাইম ও ম্যাকআর্থার ফেলোশিপসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ল্যানান সাহিত্য পুরস্কার, দুটি গ্রিফিন কবিতা পুরস্কার, টিএস এলিয়ট পুরস্কার, প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস পুরস্কার, ইংরেজি ভাষার কবিতার জন্য গভর্নর জেনারেল পুরস্কার এবং পেন/নাবোকভ পুরস্কার।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ভাষা কোর্সে ভর্তি, আবেদন ১২ নভেম্বর পর্যন্ত
কানাডীয় সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৫ সালে তাকে অর্ডার অব কানাডার সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যান কারসন। ১৯৮১ সালে তিনি ধ্রুপদি সাহিত্য বিষয়ে তার ডক্টরাল গবেষণা প্রকাশ করেন। এরপর দীর্ঘ কর্মজীবনে কবিতা রচনার পাশাপাশি অনুবাদ ও শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন তিনি। ধ্রুপদি সাহিত্য ও সমকালীন সৃজনশীলতার মধ্যে নিজস্ব এক সংযোগ তৈরির মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যে তিনি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।

