যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা জারি করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। দূতাবাস জানিয়েছে, ভ্রমণের সময় পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে বা সরকারি সুবিধার অপব্যবহার করলে যুক্তরাষ্ট্রের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বাতিল হতে পারে; এমনকি এতে ভবিষ্যতে দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রেও স্থায়ী অযোগ্যতা তৈরি হতে পারে।
শনিবার (১৪ মার্চ) প্রকাশিত ভ্রমণসংক্রান্ত এক বিশেষ বার্তায় দূতাবাস এ নির্দেশনা জানায়।
এতে বলা হয়, কোনো বিদেশি দর্শনার্থী যদি যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থে পরিচালিত জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করেন বা সেগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দূতাবাসের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়, পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষার্থী, সাংবাদিকতা কিংবা ট্রানজিট—সব ধরনের নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কঠোরভাবে প্রযোজ্য হবে।
মার্কিন দূতাবাসের বার্তায় আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় নিজের খরচ নিজে বহন করার মতো সক্ষমতা আছে কিনা, তা আগেভাগেই নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বা চিকিৎসাজনিত জরুরি অবস্থায় যাঁরা করদাতাদের অর্থে পরিচালিত চিকিৎসা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবেন, তাঁদের ভিসা তাৎক্ষণিক বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের আবেদন করার সময়ই আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ দিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দর্শনার্থীরা সেখানে গিয়ে স্থানীয় সরকারি সুবিধা বা বিনা মূল্যে পাওয়া যায় এমন সেবার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের অনিয়ম রোধে ওয়াশিংটন আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
দূতাবাস অনুরোধ করেছে, সব পর্যটক যেন তাঁদের সম্ভাব্য জরুরি খরচসহ সামগ্রিক ভ্রমণের জন্য পর্যাপ্ত তহবিলের প্রস্তুতি রাখেন।

