পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং কিংবা ডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে অবৈধ পরিবর্তন করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে। এ ধরনের অপরাধকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের দশম বৈঠকে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাবলিক পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি ও অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধে ১৯৮০ সালে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ বৃদ্ধির কারণে আইনের বিভিন্ন ধারা বর্তমানে সময়োপযোগী নয়।
আরও পড়ুন: ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
এ কারণে পাবলিক পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধগুলোকে আইনের আওতায় আনতে বিদ্যমান আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত সংশোধনী আইনের বৈশিষ্ট্য হিসেবে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং কিংবা অবৈধ পরিবর্তনকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ নামে নতুন অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া পাবলিক পরীক্ষায় সংঘবদ্ধভাবে জালিয়াতি করা বা এ ধরনের চক্র গঠন ও পরিচালনার ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তি ও জরিমানার বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

