মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব দুটি—ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। রমজানের রোজা শেষে আসে ঈদুল ফিতর। শাওয়াল মাসের এক তারিখে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়। জিলহজ মাসের দশ তারিখে পালিত হয় ঈদুল আজহা। এ দুই ঈদের দিন রোজা রাখা হারাম। আবু সাইদ খুদরি (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন ও কোরবানির দিন রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯৯২)
আরেক হাদিসে আছে, আবু উবাইদা (রা.) বলেন, ‘আমি ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। তিনি বলেছেন, ‘এ দুই দিন রোজা রাখতে নবী (সা.) নিষেধ করেছেন। প্রথম দিন হলো, যখন তোমরা রোজা শেষ করো, আর দ্বিতীয় দিন হলো, যখন তোমরা কোরবানির গোশত খাবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৫১)
দুই ঈদের দিন ছাড়াও জিলহজ মাসের এগারো, বারো ও তেরো তারিখ রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এ তিন দিনকে তাশরিকের দিন বলা হয়। এ সময় রোজা রাখলে সওয়াবের পরিবর্তে পাপ হয়। কারণ, এই দিনগুলো আনন্দ উদযাপনের জন্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তাশরিকের দিনগুলো (১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ) হচ্ছে পানাহার ও আল্লাহকে স্মরণ করার দিন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৪১)
এই পাঁচ দিন ছাড়া বছরের যেকোনো দিন রোজা রাখা যায়।

