অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

 দুই অধিনায়কের ফটোশুট
দুই অধিনায়কের ফটোশুট |ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবার তাদের মাটিতে দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আইসিসি ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫০ মিনিটে মুখোমুখি হবে দুই দল।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে পরিবর্তনের সময়ের মধ্যেই শুরু হচ্ছে এই কঠিন সিরিজ। টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন নিগার সুলতানা। পাশাপাশি কোচিং স্টাফেও এসেছে পরিবর্তন। সরোয়ার ইমরানের জায়গায় প্রধান কোচের দায়িত্ব নিয়েছেন ডেভিড হেম্প। তাঁর অধীনে প্রথম সিরিজেই বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজের আগে প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ। দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিসিবির পাঠানো ভিডিওতে হেম্প বলেন, ‘আমরা একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছি, পাশাপাশি যে উইকেটগুলোয় অনুশীলন করেছি, সেগুলোও খুব ভালো ছিল। খেলোয়াড়দের জন্য এটাও কিছুটা চ্যালেঞ্জের ছিল; কারণ, উইকেটগুলোয় তারা যে ধরনের কন্ডিশনে অভ্যস্ত, তার চেয়ে একটু বেশি গতি ও বাউন্স ছিল।’

অপরিচিত কন্ডিশনে ক্রিকেটাররা নিজেদের মানিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান হেম্প। তাঁর ভাষায়, ‘তারা খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে এবং এই কন্ডিশনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে ও খাপ খাওয়াতে সত্যিই চেষ্টা করেছে। এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়া যায়! কারণ, কন্ডিশনটা তাদের জন্য অপরিচিত ও নতুন। তবে যেমনটা বললাম, এখন পর্যন্ত গত চার-পাঁচ দিনের প্রস্তুতি খুবই ভালো হয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানকে ‘সেভেন আপের’ লজ্জা দিয়ে সোনা জিতল ভারত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের নেতৃত্বে থাকছেন নিগার সুলতানাই। তবে পরিসংখ্যান বাংলাদেশের জন্য খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচটি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ, যার প্রতিটিতেই হেরেছে তারা। টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখনো জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—দুই সংস্করণেই র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি যে কঠিন হবে, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন হেম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা যে বিশ্বের সেরা নারী দলের বিপক্ষে খেলছি, সেটা তো অস্বীকার করার উপায় নেই। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই সংস্করণেই তারা এক নম্বর দল। তাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিষয়টা মানসিকভাবে গ্রহণ করা। তারা খুব ভালো দল, দারুণ কিছু খেলোয়াড়ও আছে। তবে দলের কাছ থেকে আমার প্রত্যাশা মূলত ম্যাচের মধ্যে ইতিবাচক থাকা।’

ম্যাচে ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না (মেয়েরা) এক সপ্তাহ পর বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে বলবে, ‘ইশ্‌, আমরা যদি এভাবে খেলতাম। ইশ্‌, ওভাবে খেলতাম!’ আমরা যেভাবে সবকিছু করি, তাতে ইতিবাচক থাকতে হবে। শুধু ম্যাচ কীভাবে খেলছি তা নয়, ম্যাচের দিকে কীভাবে মনোযোগ দিচ্ছি এবং কীভাবে ভাবছি—সবকিছুর ক্ষেত্রেই ইতিবাচক হতে হবে। আমরা যদি সেটা করতে পারি, তাহলে আমরা ইতিবাচকভাবেই সামনে এগোতে পারব।’

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!