মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনভিডিওশিক্ষাপ্রশাসনঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলা
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরএমফিলপিএইচডিপ্রফেশনাল প্রোগ্রামক্যাম্পাস
খবরসরকারিবেসরকারিবাহিনীব্যাংক ও আর্থিকশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএনজিওমেডিকেল-ফার্মাসিবিদেশে চাকরিইন্টার্নশিপপ্রস্তুতি ও পরামর্শপরীক্ষার সময়সূচিসাক্ষাৎকারফলাফল
খবরদেশিবিদেশিপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
সাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাধর্মউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
নির্বাচন
প্রবাস
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
শিক্ষা আন্দোলন
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
প্রযুক্তি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মায়াজাল: এআই কি আমাদের অলস করে দিচ্ছে

ড

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ PM

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতীকী ছবি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতীকী ছবি|ছবি: সংগৃহীত

কয়েক বছর ধরে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। চ্যাটজিপিটি, ক্লড কিংবা জেমিনির মতো প্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির এই জোয়ারে গা ভাসিয়ে দেওয়া যত সহজ, এর আড়ালের বিপদটা থেকে সচেতন থাকাটা ততটাই কঠিন। অতিরিক্ত এআই-নির্ভরতা অজান্তেই আমাদের মগজ অকেজো করে দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে সাম্প্রতিক একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রশ্ন তুলেছে।

এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষের সৃজনশীলতা, মনোযোগ এবং যুক্তি দিয়ে ভাবার ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে—এমনটাই জানাচ্ছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা।

আরও পড়ুন: যে পাঁচটি তথ্য কখনোই এআই চ্যাটবক্সে ইনপুট দেবেন না

তবে টেক্সাস ইউনিভার্সিটির নিউরোসাইকোলজিস্ট জ্যারেড বেঞ্জের মতে, বিষয়টি পুরোপুরি নেতিবাচক নয়। এআই যদি আমাদের বাড়তি কাজের চাপ কমিয়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গভীর মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেয়, তবে তা মস্তিষ্কের জন্য ভালো। মস্তিষ্ক অতীতেও বহু প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে।

■ আমাদের মূল দুশ্চিন্তাটা কী নিয়ে

আজ থেকে ২০ বছর আগে একটা ধারণা ছিল, প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা একধরনের ডিজিটাল ডিমেনশিয়া তৈরি করতে পারে। এর ফলে মানুষের স্বল্পমেয়াদি স্মৃতিশক্তি এবং অন্যান্য মানসিক কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সম্প্রতি জ্যারেড বেঞ্জ একটি যৌথ গবেষণার (মেটা-অ্যানালাইসিস) সহ-লেখক হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে ৪ লাখ ১১ হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর করা ৫৭টি গবেষণা পর্যালোচনা করা হয়। সব মিলিয়ে তিনি ও তাঁর সহ-লেখকেরা ‘ডিজিটাল ডিমেনশিয়া’র পক্ষে কোনো প্রমাণ পাননি। উল্টো দেখা গেছে, প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষের মানসিক কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমিয়ে এনেছে।

■ তারপরেও ভয় পাওয়ার আছে অনেক কিছু

গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা পথ চেনার জন্য জিপিএসের মতো স্যাটেলাইট নেভিগেশনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করেন, তাঁরা ধীরে ধীরে চারপাশের এলাকার মানচিত্র মাথায় গেঁথে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের স্থানিক স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। সার্চ ইঞ্জিনগুলো যখন আমাদের জীবন দখল করে নিল, তখন ‘গুগল ইফেক্ট’ নামে ঠিক একই ধরনের একটি সমস্যা দেখা দিয়েছিল। কোনো কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নেওয়া হলে আমাদের মস্তিষ্ক সেই কাজে দুর্বল হয়ে পড়ে।

তাহলে এআই ব্যবহার করে নিজের মস্তিষ্কের ব্যায়ামও সচল রাখবেন?

আরও পড়ুন: তথ্য পাচার বন্ধ করতে চ্যাটজিপিটির লকডাউন মোড

■ এআইয়ের কথা বিশ্বাস করবেন না

সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত এআই যাঁরা ব্যবহার করেন, তাঁরা সাধারণ যুক্তিনির্ভর চিন্তার পরীক্ষায় বেশ কম নম্বর পেয়েছেন। মানুষ এমনকি নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং সহজাত ধারণার চেয়ে এআই-কে বেশি বিশ্বাস করে—এমনকি যখন এআই ভুল উত্তর দেয়, সেই সময়ও! পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা একে বলছেন ‘কগনিটিভ সারেন্ডার’ বা ‘মানসিক আত্মসমর্পণ’। মাইক্রোসফট রিসার্চের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আপনি যে বিষয়টি ভালো করে জানেন না, সে বিষয়েই আপনার ক্ষতির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক হ্যাঙ্ক লির মতে, আপনি যদি কোনো অজানা মানুষের কথায় অন্ধবিশ্বাস না করেন, তবে এআইয়ের কথায়ও বিশ্বাস করা উচিত নয়। যেসব বিষয়ে আপনার নিজের বিচারবুদ্ধি খাটানো প্রয়োজন, সেসব ক্ষেত্রে আগে নিজে একটা খসড়া ধারণা তৈরি করুন। এরপর এআই ব্যবহার করুন আপনার সেই ধারণাকে যাচাই বা চ্যালেঞ্জ করার জন্য, তার আগে নয়।

■ সাদা কাগজকে আরও কিছুক্ষণ সাদাই থাকতে দিন

এআই নতুন নতুন আইডিয়া তৈরিতে পারদর্শী। আর এটাই হলো আসল সমস্যা। গবেষণা বলছে, যাঁরা সৃজনশীল কাজের জন্য এআই ব্যবহার করেন, তাঁদের আইডিয়াগুলো বেশ অনুমানযোগ্য এবং খুব একটা মৌলিক নয়। এটি মানুষের সৃজনশীল ক্ষমতা দুর্বল করে দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির নিউরোসায়েন্সের অধ্যাপক অ্যাডাম গ্রিন বলেন, ‘আমাদের মস্তিষ্ক বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত বিষয়ের মাঝে সংযোগ তৈরি করে সৃজনশীলতা বাড়ায়।

এই কাজ এআইয়ের হাতে তুলে দিলে মস্তিষ্কের ব্যায়াম মাঠে মারা যায়।’

এই সমস্যা কাটানোর আসল উপায় হলো, আইডিয়াগুলো যতই কাঁচা হোক না কেন, প্রথমে সেগুলো কাগজে লিখে ফেলুন। ফাঁকা কাগজের সামনে কিছুটা সময় কাটান এবং মাথায় যা আসে, তা-ই লিখুন। লেখাটি ভালো হচ্ছে কি না, তা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো, আপনার মস্তিষ্ক নিজেই নিজের অভিজ্ঞতা, স্মৃতি এবং জ্ঞান কাজে লাগিয়ে এমন কিছু তৈরি করছে, যা শুধু আপনার পক্ষেই সম্ভব। এটাই হলো মস্তিষ্কের আসল ব্যায়াম।

আরও পড়ুন: বসার ঘরকেই বানিয়ে ফেলুন স্টেডিয়াম!

■ মনোযোগ দিন

কিছু গবেষণা বলছে, প্রযুক্তির এই জয়জয়কার আমাদের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। এআই এই সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ, যেকোনো কঠিন বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে খুব সহজে এখন এক ক্লিকে উত্তর পাওয়া যায়।

তবে এখানেও আগের নিয়মটি খাটাতে পারেন—রোবট ডাকার আগে নিজে একটু কঠিন সমস্যা নিয়ে মাথা খাটান।

■ মানুষের মস্তিষ্কই আসল

অধ্যাপক গ্রিন বলেন, ভবিষ্যতে মানুষের চিন্তাভাবনার ভিন্নতা এবং বৈচিত্র্যই হবে আমাদের বড় সম্পদ। গ্রিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সমাজে টিকে থাকার তাগিদেই ‘বটের গণ্ডি পেরিয়ে’ অথবা যান্ত্রিকতার বাইরে গিয়ে নিজে চিন্তা করাটা আমাদের একধরনের স্বাভাবিক জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে পরিণত হবে। আর জ্যারেড বেঞ্জ মনে করিয়ে দিয়েছেন, মানুষের মস্তিষ্ক সব সময় নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। এটিই মানবজাতির সবচেয়ে বড় শক্তি। তাঁর প্রশ্ন, গাড়ি আবিষ্কৃত হয়েছে বলে কি মানুষ ম্যারাথনে দৌড়ানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে?

দিনের শেষে প্রযুক্তির হাতিয়ারগুলো হয়তো বদলে যাবে। কিন্তু মানুষের নিজের উদ্যোগে চিন্তা করা, নতুন কিছু সৃষ্টি করা এবং নিজে থেকে কোনো সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার যে তাড়না কিংবা ইচ্ছা, তা রোবট দিয়ে প্রতিস্থাপন করা বা স্বয়ংক্রিয় করা সহজ নয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

ট্যাগ:কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাএআইচ্যাটজিপিটিক্লডজেমিনি

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!