জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই জাদুঘর যতদিন থাকবে, ততদিন মানুষ সেখানে এসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলকে ‘থুতু’ দেবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনা মানুষকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন—এ সংক্রান্ত কলরেকর্ড জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। “অভিনয়ে পারদর্শী এই নেত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবেন।”
আরও পড়ুন: একযোগে ছাত্রদলের ২৯ কমিটি ঘোষণা
তিনি আরও বলেন, এই জাদুঘর প্রমাণ করবে বাংলাদেশের মানুষ কোনো স্বৈরাচারকে বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্রের জন্য মানুষ হাসিমুখে জীবন দিতে পারে। জাদুঘরটি দেশের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হয়ে থাকবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার। জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, জুলাই ও আগস্টে গুম হওয়া ও শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর শতাব্দীর জন্য শিক্ষণীয় একটি প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানান, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ বা ১ আগস্টের মধ্যে জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাঁর এক সময়ের বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে।
এস/এম

