পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু, কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় পুলিশকে জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান|ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তি ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়; বরং জনগণের বন্ধু হিসেবে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর চারঘাটে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সরকারকে পাঁচ বছর দেশ চালাতে দেওয়া হবে না: নাহিদ ইসলাম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন পুলিশ কর্মকর্তাদের দেশ ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত থেকে জনগণের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে, যাতে মানুষ পুলিশকে প্রকৃত অর্থেই জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে দেখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ কর্মজীবনে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ পুলিশকে সমৃদ্ধ করবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ২০২৪ সালের ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: গুম-নির্যাতনের অভিযোগে বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শন

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ড. মো. নূরুল হুদা ভূঁইয়া। তিনি বেস্ট প্রবেশনার ও বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ—এই দুই বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন।

এ ছাড়া বেস্ট একাডেমিক অ্যাওয়ার্ড পান শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার আবু নুমান মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম এবং বেস্ট শ্যুটার নির্বাচিত হন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এ বি এম মামুন।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!