২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সময়ে কমেছে নতুন বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি। এই অর্থবছরে বাংলাদেশ আসল ও সুদ বাবদ মোট ৪৪৯ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে ৫২৪ কোটি ডলার, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রবিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত বৈদেশিক ঋণের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিশোধ করা ৪৪৯ কোটি ডলারের মধ্যে আসল ঋণ ছিল ২৯৫ কোটি ডলার এবং সুদ ১৫৪ কোটি ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৫৪ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৪০৯ কোটি ডলার।
আরও পড়ুন: এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা
ইআরডি জানায়, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৮০৭ কোটি ডলারের বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ ৭৫২ কোটি ডলার এবং অনুদান ৫৫ কোটি ৩৯ লাখ ডলার। অন্যদিকে, নতুন ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ৫২৪ কোটি ডলার। এর মধ্যে ঋণ ৫০১ কোটি ডলার এবং অনুদান ২৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এর আগে ২০১১-১২ অর্থবছরে বাংলাদেশ এর চেয়ে কম, ৪৭৬ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতিতে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটি ২৬৯ কোটি ডলারের ঋণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংকের (আইডিএ) ৮২ কোটি ডলার।

