মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনবাংলাদেশআন্তর্জাতিকভিডিওশিক্ষাপ্রশাসনঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
শিক্ষা
উচ্চশিক্ষা
The Generation Today
সর্বশেষশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনবাংলাদেশ
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরপ্রফেশনাল প্রোগ্রামএমফিল-পিএইচডিক্যাম্পাস
খবরদেশিবিদেশিপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
নির্বাচনপ্রবাসসাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাশিক্ষা আন্দোলনপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাধর্মউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
শিক্ষা আন্দোলন

প্রাথমিকের নিয়োগপত্র না পাওয়ায় পাঁচ দফা দাবি সুপারিশপ্রাপ্তদের

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ AM

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ |ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের কারণে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি। এ ঘটনায় বাদ পড়ার সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের আন্দোলনকারী প্ল্যাটফর্ম ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুইডেনের ১০ স্কলারশিপ

বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারীরা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও প্রায় আট মাস ধরে অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদের অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যে রাখা হয়েছে। ভেরিফিকেশনের নামে সুস্পষ্ট কারণ না জানিয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে।

তাদের দাবি, অনেক প্রার্থী এই নিয়োগের আশায় অন্য চাকরির সুযোগ ছেড়েছেন বা নতুন চাকরিতে যোগ দেননি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনেকে আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। বিশেষ করে যাদের বয়স সরকারি চাকরিতে আবেদনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, প্রশাসনিক ভুল, তথ্যগত অসংগতি কিংবা অসম্পূর্ণ তদন্তের কারণে কোনো যোগ্য প্রার্থী যেন বঞ্চিত না হন। তবে তারা কোনো অনিয়মকারী বা অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগ দাবি করছেন না। বরং প্রতিটি প্রার্থীর বিষয় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সংগতভাবে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

পাঁচ দফা দাবি

১. ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পুনরায় যাচাই করতে হবে।

২. তথ্যগত ভুল বা অসংগতির শিকার প্রার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও প্রশাসনিক আপিলের সুযোগ দিতে হবে।

আরও পড়ুন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল ইসলাম

৩. কোনো দপ্তর বা কর্মকর্তার গাফিলতি, ভুল তথ্য কিংবা প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে কেউ বাদ পড়ে থাকলে তা সংশোধন করে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়া সব প্রার্থীর বিষয়ে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং অযৌক্তিকভাবে প্রক্রিয়া বিলম্ব করা যাবে না।

৫. পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং কীভাবে এতসংখ্যক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী বাদ পড়েছেন, তার সুস্পষ্ট ও দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।

ট্যাগ:প্রাথমিক বিদ্যালয়সহকারী শিক্ষকশিক্ষক নিয়োগ

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!