তৃতীয় ধাপে প্রাথমিকে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের দাবি

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন
দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন|ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩-এর তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রার্থীদের ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় নিয়োগপ্রত্যাশীরা দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন

মানববন্ধনে প্রার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং ভাইভা সম্পন্ন করা ৩৯ হাজার প্রার্থীর মধ্য থেকে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নতুন করে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার চার সেট পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও সুরমার প্রার্থীদের সমানভাবে বিবেচনায় নেওয়ারও দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা বলেন, ২০২৩ সালের তৃতীয় ধাপের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২০২৪ সালের ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। পরে আইনি জটিলতার কারণে কয়েক মাস পর ফল প্রকাশ করা হয়। ওই ফলে মেঘনা ও সুরমা সেটের প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পদ্মা ও যমুনা সেটের ২৩ হাজার প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কার

তারা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়কে জানানো হলে সফটওয়্যারজনিত কারিগরি ত্রুটির কথা জানিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ওই দিন রাত ১২টার দিকে মেঘনা ও সুরমা সেটের আরও ২৩ হাজার ১৯৯ জনকে উত্তীর্ণ করা হয়। এতে মোট ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থী ভাইভায় অংশ নেন।

মানববন্ধনে সরদার ইসমাঈল বলেন, ওই নিয়োগে ৮৪ শতাংশ কোটার মাধ্যমে ৬ হাজার ৫৩১ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে পুনরায় ফল প্রকাশের দাবিতে ৩৯ হাজার ভুক্তভোগী প্রার্থীর পক্ষ থেকে ১৫১ জন হাইকোর্টে রিট করেন।

তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেন। আপিল বিভাগের নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- রিটকারী ১৫১ জনকে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ, ভাইভা সম্পন্ন করা ৩৯ হাজার প্রার্থীর মধ্য থেকে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নতুন করে নিয়োগ এবং ইতোমধ্যে নিয়োগ পাওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জন শিক্ষককে চাকরিতে বহাল রাখা।

আরও পড়ুন : সিকৃবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন স্থগিত

সরদার ইসমাঈল বলেন, আমরা আপিল বিভাগের রায়কে স্বাগত জানাই এবং রায় অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি সফটওয়্যারজনিত ত্রুটি সমাধান করে চার সেটের প্রার্থীদের সমান গুরুত্ব দিয়ে ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফল প্রকাশেরও দাবি জানাই।

একই দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানান নিয়োগপ্রত্যাশীরা।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!