এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অক্টোবরের বেতনের বিল সাবমিটের নির্দেশ মাউশির

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর|ছবি: সংগৃহীত

এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের বিল সাবমিট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বিল সাবমিট করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে বেতনের অর্থ পেতে যথাযথভাবে বিল দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্কুল-কলেজের অক্টোবর মাসের এমপিও-ইএফটি বিল সাবমিটের অপশন চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল সাবমিট না করলে বেতন-ভাতা প্রাপ্তিতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ২০ অক্টোবরের মধ্যে বিল দাখিল করতে হবে।

আরও পড়ুন: দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিত

অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার অর্থ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে প্রতিষ্ঠানের এমপিও-সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও শিট মডিউলে লগইন করে বিল সাবমিট করতে হয়।

বিল দাখিলের সময় প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর প্রাপ্য এমপিওর অর্থ আলাদাভাবে বিধি অনুযায়ী সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে বেতন-ভাতার অর্থ পাঠানো হবে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইএফটির মাধ্যমে এমপিওর অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দাখিল করা তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর অর্থ পাঠানো না হলে কিংবা অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হলে এর দায়ভার প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে বহন করতে হবে।

আরও পড়ুন: ক্যাডেট কলেজে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন যেভাবে

এ ছাড়া ভুল তথ্য বা অন্য কোনো কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারী অতিরিক্ত অর্থ পেলে তা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়া চালানের কপি সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।

অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গেছে, আইবাসে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে যেসব জনবলের তথ্য বৈধ হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে, শুধু সেসব তথ্যই বর্তমানে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য এখনো ভুল রয়েছে, সেগুলো সঠিক তথ্য পাওয়া ও যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হবে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!