সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮১৭ জন প্রার্থীকে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিত ৮১৭ জন বাকি আছেন। তারা আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ পাবেন।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়তে ৫১০ স্কুলে পাইলট কর্মসূচি
যারা পাবেন না তাদের নিয়ে আমরা কাজ করব।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল নিয়ারলি শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাঁদের তথ্য যাচাই করতে হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাইয়ের পর নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। যাচাইয়ের অগ্রগতি পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, যাচাই-বাছাইয়ের জন্য এখনো ৮১৭ জনের তথ্য বাকি রয়েছে। কারও ঠিকানা বা প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করা হবে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। এরপর চূড়ান্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকটি গণমাধ্যমে এমন কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যাতে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে আমি মনে করছি। কারণ, গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও পরে তাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েছেন।’
মন্ত্রী আরও বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। ফলে যাঁরা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
তিনি আরও বলেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় বাড়ল
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

