চার দশকেরও বেশি সময় পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় সুপারহিরো চরিত্র ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘সুপারগার্ল’ সিনেমাটি দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারলেও এবার নতুন আঙ্গিকে চরিত্রটিকে নিয়ে হাজির হচ্ছে ডিসি স্টুডিওস। আগামী ২৬ জুন আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে ‘সুপারগার্ল’। একই দিনে বাংলাদেশের দর্শকরাও সিনেমাটি দেখতে পারবেন, দেশের প্রেক্ষাগৃহ স্টার সিনেপ্লেক্সে। নতুন এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ক্রেইগ গিলেস্পি, যিনি এর আগে ‘আই, টনিয়া’ ও ‘ক্রুয়েলা’র মতো আলোচিত চলচ্চিত্র নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র সুপারগার্ল বা কারা জোর-এল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। এছাড়া অভিনয়ে রয়েছেন ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট এবং জেসন মোমোয়া। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সুপারম্যান’ সিনেমায় সংক্ষিপ্ত উপস্থিতির মাধ্যমে দর্শকদের নজর কাড়েন মিলি অ্যালকক। এবার প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গভাবে সুপারগার্ল চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এর আগে জনপ্রিয় সিরিজ ‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’-এ অভিনয় করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে
আরও পড়ুন: ভাঙা হাত নিয়ে শয্যাশায়ী কাঙালিনী সুফিয়া, অর্থাভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা
পরিচিতি পেয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রহ ক্রিপ্টনের এক অংশে বেড়ে ওঠা কারা জোর-এলের জীবন সুপারম্যানের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন ও বেদনাময়। অতীতের ট্র্যাজেডি তাকে করে তুলেছে দৃঢ়, বাস্তববাদী এবং লড়াকু। এক পর্যায়ে নিজের প্রিয় কুকুর ক্রিপ্টোকে নিয়ে মহাকাশ ভ্রমণে বের হয়ে রুথি নামের এক কিশোরীর সঙ্গে পরিচিত হন কারা। রুথির পরিবারকে হত্যা করা এক দস্যু নেতার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের সন্ধানে তারা শুরু করে এক রোমাঞ্চকর আন্তঃগ্যালাক্টিক অভিযান। সিনেমাটির অন্যতম আকর্ষণ হলো ডিসি কমিকসের জনপ্রিয় চরিত্র লোবোর লাইভ-অ্যাকশন অভিষেক। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসন মোমোয়া। নির্মাতাদের দাবি, কমিকসের প্রতি বিশ্বস্ত থেকে চরিত্রটিকে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই সিনেমাটিকে আগের সুপারগার্ল গল্পগুলোর তুলনায় বেশি পরিণত, আবেগঘন এবং অন্ধকারধর্মী বলে মনে করছেন। প্রাথমিক সমালোচনাতেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। ডিসি স্টুডিওসের নতুন সিনেমাটিক ইউনিভার্স গঠনের পরিকল্পনায় ‘সুপারগার্ল’ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সুপারম্যানের পাশাপাশি সুপারগার্লকেও নতুন প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সুপারহিরো হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়েই নির্মিত হয়েছে এই সিনেমা।

