চঞ্চল চৌধুরীকে দর্শক বহু চরিত্রে দেখেছেন। কখনো তিনি সাধারণ মানুষের গল্প বলেছেন, কখনো হয়ে উঠেছেন একেবারেই অন্যরকম কোনো চরিত্র। এবার ‘আন্ধার’ সিনেমায় শমসের হয়ে পর্দায় আসছেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা। আর তার ফার্স্ট লুক প্রকাশের পরই চঞ্চলের অভিনয় প্রতিভা নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন নির্মাতা রায়হান রাফী।
বুধবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাফী জানান, এর আগে চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে দুবার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল তার। তবে দুবারই ছিল ক্যামিও ধরনের চরিত্র। ফলে অভিনেতার অভিনয় প্রতিভার পুরোটা পর্দায় তুলে ধরার সুযোগ হয়নি। চঞ্চলের অভিনয় নিয়ে রাফীর মূল্যায়ন আরও এক ধাপ এগিয়ে। তার মতে, বাংলাদেশের কোনো সিনেমা দেখে এখনো তার মনে হয়নি যে চঞ্চল চৌধুরী তার পুরো অভিনয় প্রতিভা দেখাতে পেরেছেন। কারণ, এই অভিনেতার অভিনয় প্রতিভার যেন কোনো শেষ নেই।
আরও পড়ুন: ‘সাদুর বউ’ হয়ে ওঠার অদেখা গল্প শোনালেন তুষি
‘আন্ধার’-এ সেই প্রতিভারই ভিন্ন একটি দিক দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বলে জানান নির্মাতা। তার ভাষ্য, শমসের চরিত্রে চঞ্চল যা করেছেন, সেটি অন্য কারও পক্ষে করা সম্ভব ছিল না—এমনটাই বিশ্বাস পুরো টিমের। রাফীর একের পর এক পোস্টে ‘আন্ধার’ নিয়ে দর্শকের কৌতূহলও বাড়ছে। বিশেষ করে সিনেমাটি কবে মুক্তি পাবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তবে এখনো মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেননি নির্মাতা। জানিয়েছেন, মুক্তির আগে ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে পোস্টার, টিজার ও ট্রেলার। আগামী সেপ্টেম্বরে সিনেমাটি সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ
গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে হয়েছে সিনেমাটির বেশির ভাগ শুটিং। তবে ‘আন্ধার’-এর গল্পের পেছনের প্রেরণাটাও বেশ ভিন্ন। দেশের দুই জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী অর্থহীনের সাইদুস সালেহীন সুমন ও ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরীর দীর্ঘদিনের ভৌতিক লোককাহিনি ও অতিপ্রাকৃত ঘটনা নিয়ে আগ্রহ থেকেই এসেছে গল্পের ভিত্তি।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে তারা সংগ্রহ করেছেন অসংখ্য ভূতের গল্প। সেই অভিজ্ঞতা ও সংগৃহীত গল্পের ওপর ভিত্তি করেই নির্মিত হয়েছে ‘আন্ধার’। এখন অপেক্ষা—শমসের হয়ে চঞ্চল চৌধুরী পর্দায় ঠিক কতটা ‘আন্ধার’ নামিয়ে আনেন।

