২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিলেন অভিনেতা আরশ খান। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিলেও এখন নিজেকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না তিনি। তাঁর মতে, শব্দটির যে মূল্য, সততা ও নিরপেক্ষতা থাকার কথা ছিল, তা এখন আর নেই।
ঢাকার উত্তরায় একটি নাটকের শুটিংয়ে জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আরশ বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধা শব্দটা আমার সঙ্গে নিতে চাই না।’ তাঁর ভাষ্য, এই শব্দটি ব্যবহার করে অনেকে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন। ফলে শব্দটি এখন তাঁর কাছে আর স্বস্তিদায়ক নয়। তবে আন্দোলনে অংশ নেওয়া নিয়ে কোনো আফসোস নেই বলে জানিয়েছেন আরশ।
আরও পড়ুন: বাঁধনের ওপর হামলায় ক্ষুব্ধ সাফা কবির, চাইলেন বিচার
তাঁর ভাষায়, উত্তরার স্কুল ও মাইলস্টোনের শিক্ষার্থীদের জন্যই তিনি রাজপথে নেমেছিলেন। প্রয়োজন হলে তাঁদের জন্য আবারও রাস্তায় নামবেন বলেও জানান তিনি। দেশের রাজনৈতিক বিভাজন নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেতা। তাঁর মতে, রাজনৈতিক পরিচয় মানুষের পরিচয়কে ছাপিয়ে যাচ্ছে। ‘আমরা যে সবকিছু ছাপিয়ে মানুষ—এটাই আমরা ভুলে গিয়েছি,’ বলেন আরশ।
আজমেরী হক বাঁধনের হেনস্তার প্রসঙ্গও আসে তাঁর বক্তব্যে। আরশ বলেন, মতের অমিল থাকলে কারও সঙ্গে যোগাযোগ না রাখা বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে; কিন্তু কোনো নারী, পুরুষ বা শিল্পীর সঙ্গে হেনস্তামূলক আচরণ সমর্থন করেন না তিনি। আরশের ভাষায়, কারও মতামত নিজের সঙ্গে না মিললে তাঁর সঙ্গে কথা না বলাই যেতে পারে। কেউ অন্যায় করলে আইনের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা উচিত, হামলা বা হেনস্তা নয়।

