মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনভিডিওশিক্ষাপ্রশাসনঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশআন্তর্জাতিকশিক্ষাউচ্চশিক্ষাপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলা
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরএমফিলপিএইচডিপ্রফেশনাল প্রোগ্রামক্যাম্পাস
খবরসরকারিবেসরকারিবাহিনীব্যাংক ও আর্থিকশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএনজিওমেডিকেল-ফার্মাসিবিদেশে চাকরিইন্টার্নশিপপ্রস্তুতি ও পরামর্শপরীক্ষার সময়সূচিসাক্ষাৎকারফলাফল
খবরদেশিবিদেশিপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
সাক্ষাৎকারসাফল্যসংস্কৃতিসাহিত্যবইমেলাপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাধর্মউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
নির্বাচন
প্রবাস
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
শিক্ষা আন্দোলন
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
স্কলারশিপ

আমেরিকায় মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে কখন আবেদন করবেন, করণীয় কী কী

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৭ AM

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা
আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা |ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স বা পিএইচডি সম্পন্ন করার স্বপ্ন দেখেন অসংখ্য শিক্ষার্থী। তবে এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সঠিক সময়ে আবেদন করা এবং প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যথাযথভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ আবেদনের চেয়ে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়সূচি ও প্রক্রিয়া কিছুটা দীর্ঘ। সঠিক ধাপ ও সঠিক তথ্য জেনে পরিকল্পনা করলে স্কলারশিপ ও ফান্ডিং পাওয়ার পথ সুগম হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ভর্তি সেশনের বিবরণ

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত এক বছরের বেশি সময় ধরে চলে। অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যায়লে বছরে একবার বা দুবার শিক্ষার্থী ভর্তি করায়। উচ্চশিক্ষায় ভর্তির জন্য সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় সেশন হলো 'ফল (Fall)' সেমিস্টার, যা মূলত আগস্ট বা সেপ্টেম্বরে শুরু হয়। এই সেশনে পর্যাপ্ত আসন, গবেষণার সুযোগ এবং ফান্ডিং বরাদ্দ থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মূলত তিনটি সেশনে ভর্তি নেয়া হয়:

Fall (ফল) সেমিস্টার (সবচেয়ে জনপ্রিয়): ক্লাস শুরু হয় আগস্ট–সেপ্টেম্বরে। এর আবেদনের উপযুক্ত সময় আগের বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর।

Spring (স্প্রিং) সেমিস্টার: ক্লাস শুরু হয় জানুয়ারিতে। আবেদনের উপযুক্ত সময় মে থেকে আগস্ট।

Summer (সামার) সেমিস্টার: ক্লাস শুরু হয় মে–জুনে। আবেদনের উপযুক্ত সময় জানুয়ারি থেকে মার্চ।

'আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার ফল সেমিস্টারে আবেদনকারীদের জন্য সুযোগের পরিধি সবচেয়ে বেশি। এই সেশনে আবেদন জমা দিলে Research Assistantship (RA) বা Teaching Assistantship (TA) পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।'

উদাহরণ: আপনি যদি Fall 2027 সেমিস্টারে ভর্তি হতে চান, তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে। আবেদনের বেশিরভাগ ডেডলাইন থাকে নভেম্বর, ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে। তবে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ফেব্রুয়ারি বা মার্চ পর্যন্ত আবেদন জমা নেয়।

ধাপে ধাপে প্রস্তুতির সময়সূচি

ধাপ ১: ১২–১৮ মাস আগে পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ

আপনি ২০২৭ সালের ফল সেমিস্টারে ভর্তি হতে চাইলে ২০২৬ সালের প্রথম থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন। এই সময়ে যা যা করবেন:

পছন্দের বিষয়টি নির্বাচন করুন এবং উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা তৈরি করুন।

বিশেষ করে পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখে সম্ভাব্য সুপারভাইজার খুঁজুন।

IELTS অথবা TOEFL পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন।

প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে GRE বা GMAT-এর প্রস্তুতি শুরু করুন।

একটি মানসম্মত একাডেমিক সিভি (CV) তৈরি করুন।

গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জন করুন এবং গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের উদ্যোগ নিন।

আরও পড়ুনঃ বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার ফেলোশিপ দিচ্ছে হার্ভার্ড, আবেদন করুন ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

ধাপ ২: ৮–১২ মাস আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্নকরণ

আবেদন শুরুর ৮ থেকে ১২ মাস আগেই প্রয়োজনীয় যোগ্যতা যাচাই পরীক্ষাগুলো দিয়ে স্কোর গুছিয়ে রাখুন:

IELTS বা TOEFL পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নির্দিষ্ট স্কোর নিশ্চিত করুন।

প্রয়োজন হলে GRE বা GMAT পরীক্ষায় অংশ নিন।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অফিশিয়াল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সনদ সংগ্রহ করুন।

পাসপোর্ট তৈরি কিংবা নবায়ন করে রাখুন।

(স্কোর আশানুরূপ না হলে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে রাখুন।)

ধাপ ৩: ৬–৮ মাস আগে আবেদন নথি প্রস্তুতকরণ

এই সময়ে আবেদনের প্রধান কাগজপত্রগুলো লেখার কাজ শেষ করুন:

একটি আকর্ষণীয় ও যুক্তিযুক্ত Statement of Purpose (SOP) লিখুন।

Recommendation Letter পাওয়ার জন্য আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

আপনার সর্বশেষ অর্জনগুলো যুক্ত করে CV আপডেট করুন।

পিএইচডি বা নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের জন্য Writing Sample বা Research Proposal গুছিয়ে নিন।

ধাপ ৪: আবেদনপত্র জমা প্রদান

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে সরাসরি আবেদন জমা দিন। আবেদনের সময় নিম্নোক্ত নথিগুলো যুক্ত করতে হবে:

Academic Transcript & Certificates

Statement of Purpose (SOP)

Letters of Recommendation

IELTS / TOEFL ও GRE / GMAT Test Scores

Updated CV & Research Proposal (প্রয়োজন সাপেক্ষে)

Passport Copy

Application Fee (সাধারণত ৭০ থেকে ১৫০ ডলার; অনেক বিশ্ববিদ্যালয় Fee Waiver দেয়)

আবেদন পরবর্তী ধাপ ও ভর্তি প্রক্রিয়া

১. Application Review (আবেদন মূল্যায়ন)

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি ও নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্ট আপনার পাঠানো নথিগুলো পর্যালোচনা করে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে সাধারণত ১ থেকে ৪ মাস সময় লাগে।

২. Interview (সাক্ষাৎকার)

কিছু প্রতিযোগিতামূলক পিএইচডি ও এমবিএ প্রোগ্রামে অনলাইন সাক্ষাৎকারের আয়োজন করা হয়। সাক্ষাৎকারে মূলত আপনার গবেষণার আগ্রহ, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য এবং ওই নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করার কারণ জানতে চাওয়া হয়।

৩. Admission Decision & Funding (ভর্তি ও স্কলারশিপ)

পর্যালোচনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ 'Admission Offer', 'Waitlist' অথবা 'Rejection' সংক্রান্ত ফলাফল জানায়। পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো 'Research Assistantship (RA)', 'Teaching Assistantship (TA)' অথবা 'Fellowship' প্রদান করে। মাস্টার্সের ক্ষেত্রে 'Partial Scholarship', 'Tuition Waiver' কিংবা 'Graduate Assistantship' পাওয়া সম্ভব।

৪. ভর্তি নিশ্চিতকরণ ও ভিসা আবেদন

অফার লেটার পাওয়ার পর অফিশিয়াল ট্রান্সক্রিপ্ট, ব্যাংকের আর্থিক বিবরণী এবং পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য জমা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'I-20 Form' সংগ্রহ করুন। এর পর F-1 স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করুন।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ডিপার্টমেন্টের নিজস্ব ভর্তি নীতি আলাদা থাকে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ভিন্ন প্রোগ্রামের আবেদনের শেষ সময়, প্রয়োজনীয় টেস্ট স্কোর এবং ফান্ডিংয়ের শর্ত আলাদা হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল 'Graduate Admission' পেজ ভালোভাবে যাচাই করে নিন।

ট্যাগ:স্কলারশিপযুক্তরাষ্ট্রআমেরিকাস্কলারশিপে উচ্চশিক্ষাউচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপযুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষা

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!