মূল বিষয়বস্তুতে যানThe Generation Today
 
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশশিক্ষাউচ্চশিক্ষাশিক্ষাপ্রশাসনপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলাবিনোদনভিডিওআন্তর্জাতিকঅর্থনীতিতারুণ্যপ্রবাসনির্বাচনশিক্ষা আন্দোলনআইন-আদালতনারী ও শিশুঅপরাধপরিবেশ ও জলবায়ুভ্রমণ-পর্যটনপুরস্কার-সম্মাননাউদ্ভাবন আবিষ্কারস্বাস্থ্য ও চিকিৎসালাইফস্টাইলব্যক্তিত্বসাহিত্য-সংস্কৃতিসাক্ষাৎকারবিচিত্র খবরসম্পাদকীয়বইমেলাফ্যাক্টচেকপ্রিয় বইমতামতশিক্ষাব্যবস্থা
সর্বশেষ
বাংলাদেশ
শিক্ষা
The Generation Today
সর্বশেষবাংলাদেশশিক্ষাউচ্চশিক্ষাশিক্ষাপ্রশাসনপরীক্ষাভর্তিচাকরিস্কলারশিপপ্রযুক্তিখেলা
The Generation Today
হোমপেজসর্বশেষরাজনীতিঅর্থনীতিআইন-আদালতবিনোদনলাইফস্টাইলমতামত
সর্বশেষ
সরকাররাজনীতিসংসদসারা দেশরাজধানীজেলাঅপরাধদুর্ঘটনাআইন-আদালতকৃষি ও খাদ্যপানি-বিদ্যুৎ-জ্বালানি
রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্যএশিয়াইউরোপআমেরিকাআফ্রিকাঅন্যান্য
ব্যাংক ও আর্থিকশিল্পবাণিজ্যবিশ্ববাণিজ্যবাজারউদ্যোক্তাবাজেটঅন্যান্য
ফ্রিল্যান্সিংপ্রশিক্ষণএআইগ্যাজেটবিজ্ঞানটিপসঅন্যান্য
ফুটবলক্রিকেটবিপিএলআইপিএলঅন্যান্য
খবরস্নাতকস্নাতকোত্তরএমফিলপিএইচডিপ্রফেশনাল প্রোগ্রামক্যাম্পাস
খবরসরকারিবেসরকারিবাহিনীব্যাংক ও আর্থিকশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানএনজিওমেডিকেল-ফার্মাসিবিদেশে চাকরিপ্রস্তুতি ও পরামর্শপরীক্ষার সময়সূচিসাক্ষাৎকারফলাফল
খবরদেশিবিদেশিইন্টার্নশিপপ্রস্তুতি ও পরামর্শফলাফল
সারা দেশআন্দোলনখেলাআন্তর্জাতিকজীবনের গল্পবিজয়গাথাঐতিহ্যঐতিহাসিক স্থানসাক্ষাৎকারঅন্যান্য
সাক্ষাৎকারসাফল্যসাহিত্যসংস্কৃতিবইমেলাপরিবেশ ও জলবায়ুলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাউদ্ভাবন আবিষ্কারব্যক্তিত্বপুরস্কার-সম্মাননাভ্রমণ-পর্যটনবিচিত্র/অফবিটশিক্ষক-কর্মচারী আন্দোলন
নির্বাচন
প্রবাস
সম্পাদকীয়
মতামত
প্রতিযোগিতাবিতর্ককুইজঅলিম্পিয়াডসাফল্যউৎসব-পার্বণ
বিনোদন
শিক্ষা আন্দোলন
ধর্ম
আইন-আদালত
নারী ও শিশু
দরকারি তথ্যপরীক্ষার সময়সূচিভর্তি পরীক্ষাবোর্ড পরীক্ষাঅ্যাকাডেমিক পরীক্ষাপ্রস্তুতি ও পরামর্শমডেল টেস্টপ্রশ্ন সমাধানফলাফল
খবরমতামত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়প্রাথমিক ও গণশিক্ষাশিক্ষা বোর্ডএনটিআরসিএইউজিসিপিএসসিঅন্যান্য
বিচিত্র খবর
ফ্যাক্টচেক
ব্যাংক-বিমা
দরকারি তথ্যস্কুলকলেজবিশ্ববিদ্যালয়অন্যান্য
খেলা

গ্রুপের শেষ দুই ম্যাচ একই সময়ে হওয়ার নেপথ্যে কী

জ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১২:০১ AM

ব্রাজিল ফুটবল দল
ব্রাজিল ফুটবল দল |ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে একই গ্রুপের দুটি ম্যাচ একই সময়ে আয়োজন করা হয়। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এটি পরিচিত দৃশ্য হলেও এর পেছনে রয়েছে বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার বিতর্কিত ম্যাচের পরই ফিফা এই নিয়ম চালু করতে বাধ্য হয়েছিল।

বর্তমান বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো একই সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো দল যেন আগে খেলা ম্যাচের ফল জেনে নিজেদের সুবিধামতো কৌশল নির্ধারণ করতে না পারে এবং প্রতিযোগিতার সুষ্ঠুতা বজায় থাকে।

এই নিয়মের সূত্রপাত ১৯৮২ সালের ২৫ জুন স্পেনের গিহোন শহরের এল মোলিনোন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার ম্যাচকে ঘিরে। ইতিহাসে যা ‘গিহোনের কলঙ্ক’ নামে পরিচিত।

সেই বিশ্বকাপে নবাগত আলজেরিয়া শুরুতেই চমক দেখিয়ে শক্তিশালী পশ্চিম জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। তখনকার ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন জার্মানির এক খেলোয়াড় ম্যাচের আগে বলেছিলেন, সিগার ফুঁকতে ফুঁকতেও আলজেরিয়াকে হারানো সম্ভব। কিন্তু মাঠে তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। মরুভূমির শিয়ালেরা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় ঐতিহাসিক জয়ে।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকাপে নকআউট পর্ব নিশ্চিত ১৩ দলের, কোন দলের কাদের বিপক্ষে খেলা

গ্রুপ পর্বে নিজেদের সব ম্যাচ শেষ করে আলজেরিয়া চার পয়েন্ট সংগ্রহ করেছিল। কিন্তু তাদের শেষ ম্যাচের পর পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়া জেনে যায়, কোন ফলাফল হলে দুই দলই একসঙ্গে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারবে।

ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় পশ্চিম জার্মানি। এরপরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। বাকি প্রায় ৮০ মিনিট দুই দল এমন ফুটবল খেলে, যা আজও বিশ্বকাপের সবচেয়ে বিতর্কিত ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

গোলের পর থেকে দুই দলের কেউই আর আক্রমণে আগ্রহ দেখায়নি। মাঠজুড়ে চলতে থাকে নিরাপদ পাসের আদান-প্রদান। খেলোয়াড়দের আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল, ফলাফল ধরে রাখাই যেন উভয় দলের একমাত্র লক্ষ্য।

পরিসংখ্যানও সেই অভিযোগের পক্ষে কথা বলে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোলে ছিল মাত্র দুটি শট। বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে দ্বিতীয়ার্ধে এত কম শটের নজির আর দেখা যায়নি। ৫৪তম মিনিটের পর শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত কোনো দলই একটি শট নিতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলের মোট পাসের ৫৮ শতাংশই হয়েছিল নিজেদের অর্ধে। অথচ বিশ্বকাপের স্বাভাবিক গড় মাত্র ৪১ শতাংশ। ফলে দর্শকদের কাছে ম্যাচটি দ্রুতই বিরক্তি ও ক্ষোভের কারণ হয়ে ওঠে।

গ্যালারিতে উপস্থিত স্প্যানিশ দর্শকেরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘ফুয়েরা! ফুয়েরা!’ (বেরিয়ে যাও!)। আলজেরীয় সমর্থকেরা টাকার নোট নাড়িয়ে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে প্রতিবাদ জানান। এমনকি এক জার্মান সমর্থক ক্ষোভে নিজের দেশের পতাকাও পুড়িয়ে ফেলেন।

ম্যাচটি নিয়ে সংবাদমাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনা হয়। স্পেনের একটি পত্রিকা খেলার পাতার বদলে অপরাধবিষয়ক পাতায় ম্যাচের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। জার্মানির একটি সংবাদপত্র লিখেছিল, জার্মানির এই ঘটনার জন্য লজ্জিত হওয়া উচিত।

ম্যাচ চলাকালেই জার্মান ধারাভাষ্যকার এবেরহার্ড স্তানিয়েক বলেছিলেন, ‘যা হচ্ছে তা লজ্জাজনক। ফুটবলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’

অস্ট্রিয়ার ধারাভাষ্যকার রবার্ট সিগারও দর্শকদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘টেলিভিশন বন্ধ করে দিন।’

আরও পড়ুনঃ ফাউল করে ইসমাইল কোনের পা ভেঙে ফেলায় বড় শাস্তি পেল কাতারের মাদিবো

ঘটনার পর আলজেরিয়া ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে। তবে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী পশ্চিম জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। কারণ তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করেনি।

তবে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপের পর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচ একই সময়ে আয়োজন বাধ্যতামূলক করা হয়।

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই নিয়মই অনুসরণ করে আসছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর সেই কারণেই আজও বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে একই গ্রুপের ম্যাচগুলো একসঙ্গে শুরু হয়, যাতে কোনো দল অন্য ম্যাচের ফল জেনে সুবিধা নেওয়ার সুযোগ না পায় এবং প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা অক্ষুণ্ন থাকে।

ট্যাগ:বিশ্বকাপ ফুটবলগ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচবিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬ব্রাজিলস্পেন

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!