মেঘমল্লারের অবস্থা ‘স্থিতিশীল’, চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড

জ

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য মেঘমল্লার বসু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য মেঘমল্লার বসু|ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য মেঘমল্লার বসুর অবস্থা ‘অনেকটাই স্থিতিশীল’ বলে জানিয়েছেন সংগঠনের একজন নেতা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ‘লাইফসাপোর্টে’ থাকা তরুণ এই রাজনীতিকের কৃত্রিম অক্সিজেনের মাত্রা কমানো হওয়ার তথ্য দিয়েছেন তিনি।

তার চিকিৎসার জন্য গঠন করা হয়েছে সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড।

আরও পড়ুন: দূষিত শহরের তালিকায় ৯ নম্বরে ঢাকা, শীর্ষে লাহোর

মেঘমল্লারের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য সচিব সজীব তানভীর। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, মেঘমল্লারের শ্বাসকষ্ট কমে এসেছে এবং কৃত্রিম অক্সিজেন সরবরাহের মাত্রা কমিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে আনা হচ্ছে।

তার ‘কনশাসনেস লেভেল’ বাড়ছে। রক্তচাপ, পালসসহ অন্যান্য শারীরিক পরামিতি বা প্যারামিটারও বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।

মেঘমল্লারের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেলের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানসহ সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, যেখানে চার জন অধ্যাপক ও তিনজন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন।

আর হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান পুরো চিকিৎসার প্রক্রিয়াটি তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন।

বোর্ডে থাকা চার অধ্যাপক হচ্ছেন মেডিসিন বিভাগের প্রধান মো. শফিকুল বারী, একই বিভাগের সৈয়দ মোহাম্মদ মনোয়ার আলী ও হাফিজুর রহমান, রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের মো. আমিনুল ইসলাম।

আরও পড়ুনঃ ভারতের সঙ্গে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ

সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রমনা গেইট এলাকা থেকে মেঘমল্লারকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বন্ধুরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তার পাকস্থলী ‘ওয়াশ’ করেন।

তার চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিষক্রিয়ার সমস্যার কারণে পাকস্থলী ধৌত করা হয়েছিল।

প্রথমে তাকে হাসপাতালের ৬০২ নম্বর কক্ষের ৩ নম্বর বেডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। মঙ্গলবার বিকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে একই ভবনের পঞ্চম তলার আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

বুধবার তার শারিরীক অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে ‘লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় বলে আইসিইউর মেডিকেল অফিসার ডা. হাসান আল বান্না জানিয়েছিলেন।

তবে এনপিএর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বাকী বিল্লাহ সে দিন রাত পৌনে ১১টায় বলেন, “মেঘমল্লারের লাইফ সাপোর্ট সংক্রান্ত খবরটা সঠিক নয়। ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে গতকাল (মঙ্গলবার) জরুরি ভিত্তিতে ওকে আইসিউতে স্থানান্তর করতে হয়। আইসিইউ’র চিকিৎসক কিছুক্ষণ আগেও আমাদের ব্রিফ করেছেন। বেশির ভাগ রিপোর্ট এবং ইনডিকেশনই উন্নতির দিকে।

আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল

মেঘমল্লারের সবশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে সে দিন মধ্যরাতে বাকী বিল্লাহ এ বিষয়ক এক পোস্টের কমেন্টে লিখেছেন, ফুসফুসে সংক্রমণের কারণে সন্ধ্যায় তাকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়। সিটি স্ক্যানসহ বেশিরভাগ রিপোর্টই ভালো।

ভেন্টিলেশনকে টেকনিকালি লাইফ সাপোর্ট বলা গেলেও আসলে লাইফ সাপোর্ট বলতে যেটা বোঝানো হয়, সেটা তা নয়। ফুসফুসে সংক্রমণের উন্নতি হচ্ছে এবং আগামীকালই (বৃহস্পতিবার) ভেন্টিলেশন খুলে নেওয়া হবে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!