চুয়াডাঙ্গা গ্রিড উপকেন্দ্রে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী শনিবার (৯ মে) সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টানা ৮ ঘণ্টা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ সময়ে পল্লী বিদ্যুতের আওতাধীন এলাকাগুলো সম্পূর্ণ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকবে। তবে ওজোপাডিকোর আওতাধীন এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লিমিটেডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব এবং মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
আরও পড়ুন: করের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে তা জানানো হবে: তিতুমীর
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চুয়াডাঙ্গা গ্রিডের আওতাধীন মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা-১, চুয়াডাঙ্গা-২, আলমডাঙ্গা-১, আলমডাঙ্গা-২, জীবননগর ও দর্শনা ৩৩ কেভি গ্রিড বাসবারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণমূলক কাজ করা হবে। এ কারণে শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারগুলোতে শাটডাউন কার্যকর থাকবে। নির্ধারিত সময় শেষে ফিডারগুলোতে স্বাভাবিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হবে।
ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব জানান, জাফরপুর গ্রিডের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে ওজোপাডিকোর আওতাধীন এলাকায় কুষ্টিয়া গ্রিড থেকে বিকল্পভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখার চেষ্টা করা হবে। যদিও বিকল্প লাইনের সীমিত সক্ষমতার কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং হতে পারে। এছাড়া বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি দেখা দিলে পুরো জেলাতেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় নতুন বিমানবন্দর, তৈরি হবে ফ্লাইং একাডেমিও
অন্যদিকে, মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুয়াডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, তাদের আওতাধীন সব এলাকায় শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এ সময়ে জেলার সব পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক সাময়িকভাবে বিদ্যুৎবিহীন থাকবেন।
সাময়িক এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। কাজ আগে শেষ হলে আগেভাগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে নির্ধারিত সময়ের পরও কাজ চলতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

