জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন সিলেবাসে পাঠ্যবই লেখার উদ্যোগ

জিটি রিপোর্ট

প্রকাশ:

 শিক্ষার্থীর জন্য নতুন সিলেবাস অনুযায়ী মানসম্মত ও যুগোপযোগী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষার্থীর জন্য নতুন সিলেবাস অনুযায়ী মানসম্মত ও যুগোপযোগী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়|ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি কলেজের প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য নতুন সিলেবাস অনুযায়ী মানসম্মত ও যুগোপযোগী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ডিগ্রি (পাস), অনার্স, মাস্টার্স ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (পিজিডি) পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এসব বই প্রণয়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর, থাকবে কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা

এ লক্ষ্যে নতুন সিলেবাস অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর প্রথিতযশা বিষয় বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. ফারুক আহম্মেদ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, কলা, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, বাণিজ্য, প্রফেশনাল ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা (পিজিডি) মিলিয়ে মোট ৫৮টি বিষয়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করা হবে। নতুন সিলেবাসে সব গ্রুপের শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং অ্যাডভান্সড আইসিটি বিষয় দুটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক বৃত্তির পরিমাণ নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০ টাকা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বই প্রণয়নে আগ্রহী শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সঙ্গে প্রস্তাবিত বইয়ের বিষয়ের শিরোনাম, অধ্যায়ের বিবরণ এবং প্রকাশনা বিষয়ে পূর্ব অভিজ্ঞতার তথ্য দিতে হবে। আবেদন ই-মেইলে (pdnu1646@gmail.com) অথবা ডাকযোগে পাঠানো যাবে।

তবে এর আগে পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে যারা আবেদন করেছেন, তাদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাঠ্যপুস্তকসহ অন্যান্য প্রকাশনা মানসম্মতভাবে প্রকাশের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বাংলা একাডেমি এবং দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও চুক্তি করার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: দাখিল-আলিমের ‘সাধারণ শাখা’র নাম বদলে ‘মানবিক’, পরিবর্তন হচ্ছে না পাঠ্যসূচি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বইয়ের রচয়িতাদের যথাযথ সম্মানী দেওয়া হবে। এর ফলে একদিকে প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থী নতুন সিলেবাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও যুগোপযোগী পাঠ্যবই পাবে, অন্যদিকে শিক্ষাবিদ ও লেখকদের শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বই রচনার আবেদন, বিষয়ভিত্তিক নির্দেশনা ও অন্যান্য নিয়মাবলি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা ও বিপণন দপ্তরের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!