ছয় দশকেরও বেশি সময়ের সংগীতজীবন। অসংখ্য কালজয়ী গান আর অগণিত শ্রোতার ভালোবাসা নিয়ে উপমহাদেশের সংগীতজগতের এক উজ্জ্বল নাম রুনা লায়লা। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে একক কনসার্ট করে আবারও প্রমাণ করলেন, সময়ের সঙ্গে তাঁর কণ্ঠের আবেদন এতটুকুও কমেনি।
গত ২৪ জুলাই জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় তাঁর একক সংগীতানুষ্ঠান। এদিন বিশেষ সম্মাননাও দেওয়া হয় কিংবদন্তি এই শিল্পীকে। ৭৪ বছর বয়সেও তাঁর প্রাণবন্ত পরিবেশনা মুগ্ধ করে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। কনসার্ট শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের ভালোবাসা ও প্রশংসায় সিক্ত হন রুনা লায়লা। সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতেই একটি ভিডিও বার্তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: বলিউড থেকে ফুটবল মাঠে, পেশাদার অভিষেকের অপেক্ষায় টাইগার শ্রফ
রুনা লায়লা বলেন, “সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, আমার প্রতি এত ভালোবাসা জানানোর জন্য। আমি সত্যিই সম্মানিত। বাংলাদেশে থাকতে পেরে, বাংলাদেশে গাইতে পেরে আমি গর্বিত। শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারত এবং পাকিস্তানেও অসংখ্য মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। তাঁদের দোয়া ও ভালোবাসাতেই আজ আমি এখানে।”
শিল্পকলার কনসার্ট প্রসঙ্গে তিনি জানান, অনুষ্ঠানটির পর যে পরিমাণ ভালোবাসা, বার্তা ও মন্তব্য পেয়েছেন, তা তাঁকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। শিল্পীর ভাষায়, “আপনাদের জন্যই আমি গেয়ে যেতে চাই। কারণ আমি আপনাদের ভালোবাসি। এটাও জানি, আপনারাও আমাকে এবং আমার গানকে কতটা ভালোবাসেন।”
আরও পড়ুন: সাকিবকে ছাড়িয়ে ফেসবুকের নতুন ‘কুইন’ পরীমনি
তবে একটি আক্ষেপও প্রকাশ করেন তিনি। জাতীয় নাট্যশালার আসনসংখ্যা সীমিত থাকায় অনেক ভক্ত কনসার্টটি সরাসরি উপভোগ করতে পারেননি। আশা করছি, খুব শিগগিরই আরও বড় পরিসরে কনসার্ট করব, যেখানে অনেক বেশি মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন।”
রুনা লায়লার এই বক্তব্যে নতুন আশার আলো দেখছেন তাঁর ভক্তরা। ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই রাজধানীতে আরও বড় আয়োজনে দর্শকদের সামনে হাজির হবেন উপমহাদেশের এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী।

