অবিলম্বে যুদ্ধবিরতিসহ চীন-পাকিস্তানের পাঁচ দফা প্রস্তাব

জিটি ডেস্ক

প্রকাশ:

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই|ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং যত দ্রুত সম্ভব শান্তি আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে চীন ও পাকিস্তান। একই সঙ্গে দেশ দুটি হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। খবর চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বেইজিংয়ে পাকিস্তান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক বৈঠকের পর এই আহ্বান জানিয়ে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে চীন ও পাকিস্তান বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক শক্তির বদলে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা জরুরি। মূলত হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তা কাটিয়ে উঠতেই এই যৌথ আহ্বান জানিয়েছে দেশ দুটি।

আরও পড়ুন: যুদ্ধ শুরু পর থেকে ৬ হাজারেরও বেশি ইসরায়েলি আহত

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আজ দুই দেশ একটি ‘পাঁচ দফা উদ্যোগ’ ঘোষণা করেছে। এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো উত্তেজনা কমিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান করা।

চীন ও পাকিস্তানের ৫ দফা উদ্যোগ

বেইজিংয়ে আলোচনার পর পারস্য উপসাগর ও ইরানে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের’ লক্ষ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার ৫ দফার একটি উদ্যোগ প্রকাশ করেছেন।

১. মধ্যপ্রাচ্যে ‘অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ’ ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায় চীন ও পাকিস্তান। 

আরও পড়ুন: ‘এটি আমাদের যুদ্ধ নয়’: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

২. ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিগগিরই শান্তি আলোচনা শুরু করা উচিত। উভয় দেশ বলেছে এই আলোচনা শুরু করার উদ্যোগে সব পক্ষকে সমর্থন জানাবে চীন ও পাকিস্তান।

৩. বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক নয়; এমন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

৪. হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের পথকে নিরাপদ করতে হবে।

৫. জাতিসংঘ সনদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একটি বিস্তৃত শান্তিকাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!