পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় সোয়াত জেলায় শত শত মানুষের বিক্ষোভ চলাকালে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জনের বেশি।
রবিবার (২ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে সোয়াতের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ফিদা হোসেন জানান, হামলাকারী শরীরে বাঁধা বিস্ফোরক ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটালে চার পুলিশ সদস্যসহ সাতজন নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হন।
অন্যদিকে, পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, সোয়াতের কাবাল থানার প্রবেশদ্বারে হামলায় সাতজন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে রেকর্ড, ১৪ বছরে সর্বনিম্ন ঋণের প্রতিশ্রুতি
জেলার পুলিশ কর্মকর্তা (ডিপিও) উমর খান বলেন, থানার প্রবেশমুখে সন্দেহভাজন আত্মঘাতী হামলাকারীকে পুলিশ সদস্যরা থামিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করলে তিনি শরীরে থাকা বিস্ফোরকের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন।
তিনি জানান, নিহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে সাত এবং আহত হয়েছেন ১৮ জন। নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রোববার কাবাল থানার কাছেই শত শত মানুষ বিক্ষোভ করছিলেন। সেই সময় থানার ফটকের কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।
আরও পড়ুন: এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা
এর আগে একই দিন সকালে পেশোয়ার-ইসলামাবাদ মোটরওয়ে টোল প্লাজার কাছে আইইডি বিস্ফোরণে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। এছাড়া গত বুধবার (৩০ জুলাই) হাঙ্গু জেলায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে সন্ত্রাসী হামলায় নয় পুলিশ সদস্য নিহত হন।
সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে। পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত জেলাগুলো বাদ দিয়ে প্রদেশটিতে জুলাই মাসে বিভিন্ন হামলা ও সহিংসতায় ১৫৪ জন নিহত হয়েছেন। জুনে এ সংখ্যা ছিল ৭৫, অর্থাৎ এক মাসে প্রাণহানি বেড়েছে ১০৫ শতাংশ। [সূত্র: ডন]

