এলচেকে ৫-০ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্তভাবে নতুন মৌসুম শুরু করেছে বার্সেলোনা। টানা তৃতীয় লা লিগা শিরোপা জয়ের অভিযানে প্রথম ম্যাচেই ঘরের মাঠে বড় জয় তুলে নেয় হান্সি ফ্লিকের দল। বার্সার এই বড় জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া। তিনি নিজে দুটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন একটি গোল।
আরও পড়ুনঃ নতুন লুকে হলান্ড, হতবাক সবাই
ম্যাচের ১৪ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন রাফিনিয়া। নিজে ফাউলের শিকার হয়ে এই পেনাল্টি আদায় করেছিলেন তিনি। বার্সেলোনার হয়ে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে এটি তাঁর টানা নবম পেনাল্টি গোল। ২০২২-২৩ মৌসুমে ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর লা লিগার অন্য কোনো খেলোয়াড় সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পেনাল্টি থেকে এর চেয়ে বেশি গোল করতে পারেননি।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচে বার্সেলোনার দ্বিতীয় গোলটিতেও অবদান রাখেন রাফিনিয়া। তাঁর নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে ক্লাবের হয়ে নিজের অভিষেক গোলটি করেন করিম আদেয়েমি।
দ্বিতীয়ার্ধে এলচের ওপর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় বার্সেলোনা। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে বদলি নামা অ্যান্থনি গর্ডনের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রাফিনিয়া। এর চার মিনিট পর আবারো গর্ডনের পাস থেকে দলের চতুর্থ গোলটি করেন ফেরমিন লোপেজ। ম্যাচের শেষ দিকে ফেরমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে বার্সেলোনা ৫-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করে। চার মিনিটের ব্যবধানে দুটি অ্যাসিস্ট করে ইংলিশ ফরোয়ার্ড গর্ডন তাঁর অভিষেক স্মরণীয় করে রাখেন।
আরও পড়ুনঃঅক্টোবরেই বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ব্রাজিল
পুরো ম্যাচে বার্সেলোনাকে খুব একটা চাপে ফেলতে পারেনি এলচে। স্বাগতিকদের পক্ষে ফাকুন্দো বুয়োনানোত্তের একটি শট বারে লেগে ফিরে আসা ছাড়া বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা।
বড় জয়ের রাতে বার্সেলোনার একমাত্র অস্বস্তির কারণ ছিল তরুণ মিডফিল্ডার গাভির চোট। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডান হাঁটুর সমস্যায় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ ফ্লিক। তাঁর জায়গায় মাঠে নামেন পেদ্রি। ম্যাচ শেষে জানা গেছে, চোটের সঠিক মাত্রা নিশ্চিত হতে গাভির আরও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে বার্সেলোনার নতুন সাইনিং রদ্রি এই ম্যাচের স্কোয়াডেই ছিলেন না।

