গোলরক্ষণের বিকল্প বাড়াতে ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞ গোলকিপার দমিনিক লিভাকোভিচকে দলে ভিড়িয়েছে বার্সেলোনা। ফেনেরবাচ থেকে ৩১ বছর বয়সী এই গোলকিপারকে চার বছরের চুক্তিতে দলে নিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। ২০৩০ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় থাকবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার লিভাকোভিচকে দলে নেওয়ার খবর জানায় স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা। চুক্তির আর্থিক বিষয়টি প্রকাশ করেনি বার্সেলোনা বা ফেনেরবাচ। তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিভাকোভিচকে দলে নিতে বার্সেলোনার খরচ হয়েছে ২০ লাখ ইউরো। পারফরম্যান্সভিত্তিক শর্ত পূরণ হলে এর সঙ্গে আরও ৫ লাখ ইউরো যোগ হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ এক নজরে চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র
বার্সেলোনার গোলরক্ষণে এখন প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে। চলতি মাসের শুরুতে ধারে ডাচ ক্লাব আয়াক্সে যোগ দিয়েছেন জার্মান গোলকিপার মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়ার সঙ্গে মূল একাদশে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে থাকবেন লিভাকোভিচ। দলে আছেন অভিজ্ঞ পোলিশ গোলকিপার ভয়চেখ স্ট্যান্সনি-ও।
ফেনেরবাচেতে দুই মৌসুম কাটিয়ে বার্সেলোনায় যোগ দিলেন লিভাকোভিচ। তুরস্কের ক্লাবটির হয়ে ৭৪ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে ২৪ ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি। ২০২৩ সালে ফেনেরবাচে যাওয়ার আগে ক্রোয়েশিয়ার ক্লাব দিনামো জাগরেবে দীর্ঘ সময় কাটান তিনি।
দিনামো জাগরেবের হয়ে বেশ সফল সময় পার করেন লিভাকোভিচ। ক্লাবটির হয়ে একাধিক ঘরোয়া শিরোপা জেতেন তিনি। এরপর তুরস্কে গিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করেন এই গোলকিপার।
ক্রোয়েশিয়া জাতীয় দলেরও নিয়মিত সদস্য লিভাকোভিচ। ২০১৭ সাল থেকে জাতীয় দলের হয়ে খেলছেন তিনি। এখন পর্যন্ত দেশটির হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ ও দুটি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছেন।
চলতি দলবদলে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া টানা ষষ্ঠ খেলোয়াড় লিভাকোভিচ। এর আগে অ্যান্থনি গর্ডন, কারিম আডেইয়েমি, জেসি বিসিয়ু, রদ্রি ও জুয়াও কান্সেলোকে দলে ভেড়ায় কাতালান ক্লাবটি।
আরও পড়ুনঃ আলভারেজকে তীব্র দুয়ো আতলেতিকো মাদ্রিদ সমর্থকদের
দলবদলের ব্যস্ততার মধ্যেই মাঠের লড়াইয়েও দারুণ শুরু করেছে বার্সেলোনা। গত সপ্তাহান্তে এলচেকে ৫-০ গোলে হারিয়ে লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করেছে তারা। টানা তৃতীয় লিগ শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দলটি।
লিগের পরের ম্যাচে বৃহস্পতিবার ঘরের মাঠে আথলেতিক বিলবাওয়ের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। নতুন গোলরক্ষক লিভাকোভিচকে ঘিরে তাই দলের গোলরক্ষণে নতুন প্রতিযোগিতা দেখার অপেক্ষায় সমর্থকেরা।

